চীন সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
চীন সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চীন সফরের ধারাবাহিকতায় এবার বেইজিং যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। চীনের সরকারের আমন্ত্রণে ২৩ মে থেকে ২৬ মে পর্যন্ত চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে তিনি চীন অবস্থান করবেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির হুসাইন আন্দ্রাবি জানিয়েছেন, এই সফরকালে শেহবাজ শরিফ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-সহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।

৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন

পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপনের এই সময়ে সফরটি দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। চলতি বছরের মে মাসে বেইজিং বিশ্ব কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। গত ১৩ থেকে ১৫ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ১৯ থেকে ২০ মে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে অবস্থান করেছেন। এই ধারাবাহিক সফরের অংশ হিসেবেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এই বেইজিং সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা ইস্যুতে পাকিস্তান ও চীন তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও কৌশলগত সমন্বয় আরও গভীর করার প্রয়াস চালাচ্ছে। গত ৭৫ বছর ধরে প্রতিটি কঠিন সময়ে পাকিস্তান ও চীন একে অপরের পাশে থেকে যে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, এই সফর সেই সম্পর্কের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শেহবাজ শরিফের এই সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চীনের ‘বelt অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই)-এর অধীনে পাকিস্তানে চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হবে। বিশেষ করে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি)-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ দ্রুত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

সফর শেষে যৌথ বিবৃতি প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে, যাতে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সফর দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ‘সব-আবহাওয়া বন্ধুত্ব’কে আরও মজবুত করবে।