যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও লেবাননে ইসরায়েলের সর্ববৃহৎ হামলা, নিহত ২৫৪
লেবাননে ইসরায়েলের সর্ববৃহৎ হামলা, নিহত ২৫৪

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও লেবাননে ইসরায়েলের সর্ববৃহৎ হামলা

যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও লেবাননজুড়ে বুধবার (৯ এপ্রিল) ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সিএনএনের লাইভ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ জানিয়েছে যে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে তারা লেবাননের শতাধিক স্থাপনায় বুধবার হামলা চালিয়েছে। আইডিএফ নিশ্চিত করেছে, যুদ্ধ শুরুর পর এটি লেবাননে চালানো তাদের সর্ববৃহৎ হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

হতাহতের ভয়াবহ পরিসংখ্যান

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননে চালানো ইসরায়েলি বাহিনীর সর্বশেষ হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ৮৩৭ জন। লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় এই হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম বলেছেন, এই হামলায় শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে, যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।

ক্ষয়ক্ষতি ও স্থাপনার ধ্বংস

সিএনএনের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় লেবাননের আবাসিক ভবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানাচ্ছে, হামলার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে বহু পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইসরায়েলের অবস্থান ও নেতানিয়াহুর বক্তব্য

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। নেতানিয়াহু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলেছেন, তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে নীতিগত সমর্থন জানালেও লেবাননকে এই চুক্তির বাইরে রাখা হয়েছে। নেতানিয়াহুর মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে এমন এক অবস্থানে নিয়ে আসা যাতে দেশটি আর কোনোভাবেই পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র বা সন্ত্রাসী হুমকি তৈরি করতে না পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি উঠছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই সংঘাত যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে। লেবাননের সরকার ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতিমধ্যে জাতিসংঘের কাছে এই ঘটনার তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।