ইসরায়েলি বিমান হামলায় দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর ১৫ সদস্য নিহতের দাবি
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, দক্ষিণ লেবাননে তাদের বিমান বাহিনীর এক জোরালো হামলায় সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর অন্তত ১৫ জন সদস্য নিহত হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দেশটির সামরিক বাহিনীর আরবি ভাষার মুখপাত্র আভিচাই আদ্রায়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
হামলার পটভূমি ও ইসরায়েলের অভিযোগ
ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, তাদের ১৪৬তম ডিভিশন দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর একটি দলকে শনাক্ত করে, যারা ইসরায়েলের অভ্যন্তরে অ্যান্টি-ট্যাংক মিসাইল বা ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরিকল্পনা করছিল। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরপরই বিমান বাহিনী ওই লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে দলটিকে ‘নির্মূল’ করে।
হামলার পর ইসরায়েলি স্থল সেনারা ওই এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র জব্দের দাবি করেছে। জব্দকৃত অস্ত্রশস্ত্রের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু রাইফেল, গ্রেনেড ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম।
হিজবুল্লাহর প্রতিক্রিয়া ও বর্তমান অবস্থা
এই হামলার বিষয়ে বা প্রাণহানির বিষয়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া বা নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ লেবাননে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, এই হামলা একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে পরিচালিত হয়েছে, যাতে হিজবুল্লাহর সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলা করা যায়। তবে, হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসায় নিহতের সঠিক সংখ্যা ও ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এখনও অস্পষ্ট রয়ে গেছে।
এই ঘটনাটি ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে চলমান সংঘাতের একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর কেড়েছে। ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে আরও সহিংসতা বা উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন।



