কুয়েতের তেল শোধনাগারে ইরানের ড্রোন হামলা: একাধিক ইউনিটে আগুন
কুয়েতের রাষ্ট্রীয় তেল সংস্থা কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ মিনা আল-আহমাদি শোধনাগারে শুক্রবার সকালে সরাসরি আঘাত হেনেছে ইরানের ড্রোন। এই হামলার ফলে শোধনাগারের একাধিক ইউনিটে তীব্র আগুন লেগে গেছে, যা স্থানীয় সময় সকালের দিকে ঘটেছে বলে জানা গেছে। এনডিটিভির একটি প্রতিবেদন অনুসারে, আজ সকালে মিনা আল-আহমাদি পরিশোধনাগারে ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে এবং এতে সেখানকার একাধিক ইউনিটে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
উদ্ধারকারী দলগুলি সেখানে জরুরি ভিত্তিতে আগুন নেভানোর কাজ করছেন, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো স্পষ্ট নয়। এই ঘটনাটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও তেল উৎপাদনের উপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে।
ইরানের দাবি: যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত
এদিকে, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক স্টিলথ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে। ইরানি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ তাদের টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে জানিয়েছে যে, বিমানটি ইরানের মধ্যাঞ্চলে উড়ার সময় টার্গেট করা হয়েছে এবং এটি ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস ও বিধ্বস্ত’ হয়েছে।
বিমানটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় পাইলটের ব্যাপারে কোনো তথ্যই জানা যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ইরানের অপর বার্তাসংস্থা মেহের আরো জানায়, মার্কিন যুদ্ধবিমানটিতে পাইলট বের হতে পারেননি বলে ধারণা করা হচ্ছে, কারণ বিমানটি এতটাই দ্রুত বিধ্বস্ত হয়েছে যে তিনি আর বের হওয়ার সুযোগ পাননি।
এই ঘটনাগুলি আন্তর্জাতিক স্তরে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিতে পারে, বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বৈরিতার প্রেক্ষিতে। কুয়েতের তেল শোধনাগারে হামলা এবং এফ-৩৫ ভূপাতিতের দাবি উভয়ই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।



