ইরানের ড্রোন হামলায় ইসরাইলের পুলিশ সদর দপ্তর ও স্যাটেলাইট কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু
ইরান ইসরাইলের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের মধ্যে নতুন একটি হামলা চালিয়েছে। রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে সকালে ইরানের সেনাবাহিনী ইসরাইলের বিশেষ পুলিশ ইউনিট ‘লাহাভ ৪৩৩’-এর সদর দপ্তর এবং ‘গিলাত’ প্রতিরক্ষা স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র লক্ষ্য করে শক্তিশালী ড্রোন হামলা পরিচালনা করে।
হামলার বিবরণ ও প্রেক্ষাপট
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে এই হামলার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বিবৃতিতে লক্ষ্যবস্তুগুলোর সঠিক অবস্থান বা হামলার ফলাফল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি। এই হামলা চলমান যুদ্ধের ১৬তম দিনে সংঘটিত হয়েছে, যা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আগ্রাসনের পর থেকে শুরু হয়েছিল।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, তারা ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের জবাব দিচ্ছে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সেনারা কোনো বিশ্রামের সুযোগ দিচ্ছে না। সংঘাত পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, এবং ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে।
বিশ্ব তেল বাজারে প্রভাব
এই সংঘাতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে বিশ্ব তেল বাজারে। ইরান পৃথিবীর তেল করিডোরখ্যাত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। এই পদক্ষেপ তেলের দাম ও সরবরাহ শৃঙ্খলে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে, বিশেষ করে ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোর জন্য যারা এই প্রণালির মাধ্যমে তেল আমদানি করে।
হামলার পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে, এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই সংঘাতের আরও বিস্তার ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে সতর্কতা প্রকাশ করছেন। ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে এই লড়াইয়ের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।
