ইরানের নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: খাইবার ও ফাত্তাহ মিসাইল ছুড়েছে তেহরান
ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: খাইবার ও ফাত্তাহ মিসাইল

ইরানের নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: খাইবার ও ফাত্তাহ মিসাইল ছুড়েছে তেহরান

ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহার শুরু করেছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) খোররামশাহর-৪, খাইবার এবং ফাত্তাহ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বিশাল বহর নিয়ে মধ্য ইসরাইলে হামলা চালিয়েছে। এই হামলা অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪-এর ২২তম ধাপ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।

যুদ্ধের সপ্তম দিনে হামলা

তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, যুদ্ধের সপ্তম দিন শুক্রবার (৬ মার্চ ২০২৬) বিকেলে ‘ইয়া হোসেন ইবনে আলী (আ.)’ কোড নামে এই অভিযান শুরু হয়। ইরান জানায়, মিনাব স্কুলে ইরানি শিশুদের হত্যাকারী অপরাধীদের প্রতিশোধ নিতে পারস্য উপসাগর থেকে তেল আবিব পর্যন্ত মার্কিন ও উগ্র ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অবস্থান লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

এক ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা প্রকাশ করেছেন যে, ইরান এ পর্যন্ত মূলত এক দশকের পুরনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে এবং দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য নতুন উন্নত অস্ত্র প্রস্তুত রাখছে। এই নতুন হামলায় অতি-ভারী খোররামশাহর-৪ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা ২ টন ওজনের একটি ওয়ারহেড বহন করে এবং যার গতিবেগ ১৪ ম্যাক-এরও বেশি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

লক্ষ্যবস্তু ও দাবি

পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ও ইহুদিবাদী ঘাঁটি, তেল আবিব, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর এবং হাইফার সামরিক কেন্দ্রগুলোতে এই নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আঘাত হেনেছে বলে ইরান দাবি করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সফলতা বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী অপপ্রচারকারীদের দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়েছে, যারা ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল হওয়ার কথা বলছিল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে। এখন পর্যন্ত ইরান একাই ১০টির বেশি দেশের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সূত্র: আলজাজিরা ও প্রেস টিভি।