ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর নতুন হামলায় ইরানের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে ৩০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তু ক্ষতিগ্রস্ত
ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর হামলায় ইরানের ৩০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তু ক্ষতিগ্রস্ত

ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর নতুন হামলায় ইরানের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ইসরায়েলি বিমানবাহিনী ইরানের পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে নতুন করে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে। রবিবার পরিচালিত এই সামরিক অভিযানে ৩০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে বলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে। এই হামলার মাধ্যমে ইরানের সামরিক অবকাঠামোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশনায় পরিচালিত অভিযান

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সরাসরি নির্দেশনায় বিমানবাহিনীর কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান এই অভিযানে অংশ নিয়েছে। এই যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের ‘সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীর’ ব্যালিস্টিক মিসাইল ইউনিট এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। অভিযানের সময় ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় সুনির্দিষ্ট আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে অব্যাহত হামলার হুমকি

ইসরায়েল আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, সামরিক সদর দফতর এবং অন্যান্য ‘শাসনতান্ত্রিক লক্ষ্যবস্তু’তে তাদের এই হামলা অব্যাহত থাকবে। এই ঘোষণার মাধ্যমে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে তাদের সামরিক কার্যক্রম আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, এই হামলাগুলো ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব কমাতে এবং তাদের সামরিক ক্ষমতা দুর্বল করতে পরিচালিত হচ্ছে।

এই ঘটনাটি ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার নতুন একটি অধ্যায় হিসেবে দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি ও পরোক্ষ সংঘাতের ঘটনা বেড়ে চলেছে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই হামলাগুলো আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং অন্যান্য দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।