ইসরায়েল-মার্কিন হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিসহ পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু
ইসরায়েল-মার্কিন হামলায় ইরানের নেতা খামেনি নিহত, শোক ঘোষণা

ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত

ইরানজুড়ে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অতর্কিত হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। গতকাল থেকেই জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছিল যে এই হামলায় খামেনি প্রাণ হারিয়েছেন, যা রোববার ইরানি মিডিয়া নিশ্চিত করেছে।

পরিবারের সদস্যসহ বহু হতাহতের খবর

ইরানের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় খামেনির কন্যা, জামাতা এবং নাতিও নিহত হয়েছেন। এছাড়া, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সঙ্গে যুক্ত ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে যে খামেনির একজন পূত্রবধুও এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। বিবিসির মিডিয়া পার্টনার সিবিএস নিউজ গোয়েন্দা ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, প্রায় ৪০ জন ইরানি কর্মকর্তা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এই যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন।

ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এই শোককালে দেশটিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কার্যক্রম স্থগিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ এই হামলাকে একটি গুরুতর আক্রমণ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং এর প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করেছে।

এই ঘটনা ইরান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরানে রাজনৈতিক পরিবর্তন না ঘটানো পর্যন্ত এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। ইরানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো না হলেও, ভবিষ্যতে জবাবদিহি করার সম্ভাবনা রয়েছে।