পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ২১ হাজার ৩৪৩ জন হাজি। একই সময়ে সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৪ জন হাজি। মঙ্গলবার (২ জুন) পর্যন্ত হজ সংক্রান্ত বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রত্যাবর্তনকারী হাজির সংখ্যা
বুলেটিন সূত্রে জানা যায়, দেশে প্রত্যাবর্তনকারী সরকারি মাধ্যমের হাজির সংখ্যা ২ হাজার ৫০০ জন। বেসরকারি মাধ্যমের হাজির সংখ্যা ১৮ হাজার ৮৪৩ জন।
বিমান পরিবহন
এই সময়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিবহন করেছে ৬ হাজার ২৩৭ জন হাজি। সৌদি এয়ারলাইন্স পরিবহন করেছে ৭ হাজার ৩৫৫ জন হাজি। ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিবহন করেছে ৭ হাজার ৭০০ জন হাজি। অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে সৌদি আরব ত্যাগ করেছেন ৫১ জন হাজি।
ফিরতি ফ্লাইট
মোট ফিরতি ফ্লাইট সংখ্যা ৫২টি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ১৫টি। সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ১৮টি। ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ১৯টি।
চিকিৎসা ও সেবা
বুলেটিন সূত্র আরও জানায়, সৌদি আরবের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে প্রদত্ত স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র সংখ্যা ৫৪ হাজার ২৯৮টি। সৌদি আরবের আইটি হেল্পডেস্ক থেকে প্রদত্ত সেবা সংখ্যা ২৪ হাজার ৮০০টি।
মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি
সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৪ জন হাজি। এর মধ্যে পুরুষ ২৯ জন, মহিলা ১৫ জন। মক্কায় মৃত্যুবরণকারীর সংখ্যা ৩৪ জন ও মদিনায় ১০ জন।
সৌদি আরবে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাপ্রাপ্ত সর্বমোট হাজির সংখ্যা ২৪৯ জন। বর্তমানে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তিকৃত হাজির সংখ্যা মোট ৩২ জন। হেরা জেনারেল হসপিটালে ৩ জন, কিং ফয়সাল হসপিটালে ২ জন, আবির গ্রুপে (সৌদি ন্যাশনাল হাসপাতাল, আজিজিয়া) ৭ জন, আন-নুর হাসপাতালে ৬ জন, কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে (জাহের) ৪ জন, মক্কা মেডিক্যাল হসপিটালে ৩ জন, কিং আব্দুল্লাহ হসপিটালে ২ জন, সৌদি জার্মান হসপিটালে ২ জন, কেয়ার মেডিক্যাল হসপিটালে ৩ জন হাজি ভর্তি রয়েছেন।
একনজরে হজ ২০২৬-এর কার্যক্রম
এই বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত লিড হজ এজেন্সির সংখ্যা ৩০টি। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রার প্রথম ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। সরকারি হজযাত্রীর কোটা ৪ হাজার ৫৬৫ জন, বেসরকারি হজযাত্রীর কোটা ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ৩০ জুন।



