খাগড়াছড়িতে নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকছে, বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে
খাগড়াছড়িতে নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকছে, বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে

খাগড়াছড়িতে টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে চেঙ্গী ও মাইনী নদীসহ খাল-বিলের পানি বাড়ছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর থেকে জেলা সদর, মহালছড়ি, পানছড়ি, দীঘিনালাসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।

প্রবল বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের বেলুন মেকার সুভূতি চাকমা জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১টায় গত ১৮ ঘণ্টায় ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ পরিমাণ বৃষ্টি অঞ্চলটিতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি।

বৃষ্টিপাতে নদী-ছড়ার পানি বেড়ে মহালছড়ির মাইসছড়ি সড়কে পানি জমে যাওয়ায় যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এছাড়া দীঘিনালা-লংগদু সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি উঠার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তৃতীয় দিনের বর্ষণ, পাহাড়ধসের আশঙ্কা

খাগড়াছড়িতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। রাত থেকে জেলা সদর, মাটিরাঙা, পানছড়ি, রামগড়সহ বিভিন্ন উপজেলায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেনি।

পাহাড়ি ঢলে চেঙ্গী নদীর পানি বেড়ে জেলা সদরের নিচের বাজার, মুসলিম পাড়াসহ নিচু এলাকায় পানি বাড়তে শুরু করেছে। মাইনী নদীর পানি বেড়ে দীঘিনালার নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ঝুঁকিতে বসবাসকারী পরিবার

জেলা শহরের কলাবাগান, নেন্সিবাজার, মোল্লাপাড়া, কৈবল্যপিঠ, আঠার পরিবার, শালবন ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের ঢালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে শত শত পরিবার। টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।

প্রশাসনের প্রস্তুতি

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত জানান, যেকোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ