সাভার ও নরসিংদীতে পৃথক বজ্রাঘাতের ঘটনায় মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) বিকাল ও সন্ধ্যায় এসব ঘটনা ঘটে। সাভারে কৃষিজমিতে কাজ করতে গিয়ে তিনজন এবং নরসিংদীতে মাদ্রাসার পুকুরে অজু করতে গিয়ে তিনজন নিহত হন।
সাভারে বজ্রাঘাতে তিন কৃষকের মৃত্যু
সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়নের কোন্ডা বাজার এলাকায় রবিবার বিকালে বৃষ্টির সময় কৃষিকাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে তিনজন নিহত হন। নিহতরা হলেন: দ্বীন ইসলাম (৪৬), দুলাল (৬০) ও হক আলী প্রামাণিক (৬২)।
দ্বীন ইসলাম সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নের বলিয়ারপুর এলাকার মৃত বুদ্দু মিয়ার ছেলে। দুলাল রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার গিরাই এলাকার মৃত আব্বাস আলীর ছেলে এবং তিনি সাভারের হেমায়েতপুর বড় মসজিদ উত্তরপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। হক আলী প্রামাণিক রাজবাড়ির পাংশা উপজেলার হাবাসপুর এলাকার মৃত আদু প্রামাণিকের ছেলে এবং তিনি সাভারের হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
সাভার মডেল থানার ভবানীপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) ইমরান হোসেন বলেন, "বিকালে কোন্ডা এলাকায় কৃষিকাজ করার সময়ে বজ্রাঘাতে তিন জন কৃষকের মৃত্যু হয়।" পুলিশ জানায়, বৃষ্টির সময় কৃষিজমিতে কাজ করছিলেন তারা। বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয় এবং ক্ষেতের পাশে থাকা অপরজন আহত হলে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।
নরসিংদীতে বজ্রপাতে তিন মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নিহত
এদিকে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার গোতাশিয়া ইউনিয়নের পাচকান্দী দক্ষিণপাড়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানায় রবিবার সন্ধ্যায় বজ্রপাতে তিনজন মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও এক ছাত্র।
নিহতরা হলেন: জহিরুল হক (১৫), আবু রায়হান (১৪) ও আবু জাফর (১৫)। তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে। মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা ও শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোসতানশির বিল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, মাদ্রাসার পুকুরে অজু করার সময় চার ছাত্র আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। একজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।



