মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন ও চিন রাজ্যে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে। শনিবার উদ্ধারকারীরা পানি স্তর বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্ক করেছে।
বন্যা পরিস্থিতি ও হতাহত
বৃহস্পতিবার আরাকান আর্মি নামক একটি জাতিগত সংখ্যালঘু বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মানবসেবা বিভাগ সর্বশেষ হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করে। তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এই বন্যা দেখা দিয়েছে।
কিয়াউকটাউ টাউনশিপের শে তা লে গ্রামের স্থানীয় উদ্ধারকর্তা বো অং থেইন এএফপিকে বলেন, “আমাদের উদ্বেগ হলো, পানি স্তর আরও বাড়লে কী হবে, বিশেষ করে বয়স্ক, অসুস্থ, গর্ভবতী এবং নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে।”
যোগাযোগ ও খাদ্য সংকট
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। জাতিসংঘের মতে, দেশটির জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশের বেশি খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
কিয়াউক কিয়াত গ্রামের ৪৯ বছর বয়সী বাসিন্দা মে থেইন ইয়াইন জানান, “আমাদের গ্রামে প্রায় ২০০টি বাড়ি আছে, তার মধ্যে মাত্র এক বা দুটি বাড়ি পানির উপরে আছে। বাকি সব ডুবে গেছে। সব ধানের জমিও তলিয়ে গেছে।”
স্থানীয়দের আতঙ্ক
২৪ বছর বয়সী থুজার আয়ে বলেন, “বাড়িতে ছোট বাচ্চা আছে। আমি ভয় পাচ্ছি যে রাতে যদি পানি আরও বেড়ে যায়, তাহলে আমাদের আশ্রয় নেওয়ার জায়গা থাকবে না এবং পালানোর উপায়ও থাকবে না।”



