চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় গানসু প্রদেশের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসে কমপক্ষে ১৬ জন এখনও চাপা পড়ে আছেন। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি মঙ্গলবার জানিয়েছে, মোট ৩৩ জন আটকা পড়েছিলেন, যার মধ্যে ১৭ জনকে 'সফলভাবে উদ্ধার' করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির নির্দেশ
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে সিসিটিভি জানিয়েছে।
ভূমিধসের কারণ ও অন্যান্য দুর্যোগ
মঙ্গলবারের ভূমিধসের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, তবে চলতি সপ্তাহে চীনে প্রাণঘাতী বজ্রঝড় আঘাত হেনেছে। চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার খবরে বলা হয়েছে, সোমবার রাতে মধ্য চীনের হুবেই প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে বজ্রঝড়ে কমপক্ষে আটজন নিহত হয়েছেন। অন্তত একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
সোমবার স্থানীয় সময় রাতে হুয়াংশি, হুয়াংগাং, এঝো ও জিয়ানিন শহরে প্রবল বাতাস ও ঝড় আঘাত হানে, যেখানে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪৯ কিলোমিটার (৯২.৫৮ মাইল)। সিনহুয়ার মতে, মঙ্গলবার সকালের মধ্যে কমপক্ষে ২৭৫ জন আহত হয়েছেন।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস
আবহাওয়াবিদরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছেন, যেখানে প্রায় ২০০ মিলিয়ন মানুষ বসবাস করে। ন্যাশনাল মেটিওরোলজিক্যাল সেন্টার বলেছে, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় গুয়াংসি ও পূর্বাঞ্চলীয় জিয়াংসু এবং শানডং প্রদেশে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ২৬০ মিমি পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা ভূমিধসের সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ চীনের অন্যান্য এলাকায় টর্নেডোর আশঙ্কা রয়েছে।
সুপার টাইফুন বাভির আগমন
চীন এখন সুপার টাইফুন বাভির জন্যও সতর্ক রয়েছে, যা প্রশান্ত মহাসাগর পেরিয়ে তাইওয়ানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, সোমবার গুয়াম, টিনিয়ান, সাইপান ও রোটা দ্বীপের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় টাইফুনটির বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৯০ কিলোমিটার (১৮০ মাইল)।



