ইরানের নতুন শর্ত: অবরোধ তুললে আলোচনায় বসবে তেহরান
ইরানের শর্ত: অবরোধ তুললে আলোচনায় বসবে তেহরান

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির-সাঈদ ইরাভানি স্পষ্ট করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তেহরানের ওপর থেকে সব ধরনের অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়, তবেই ইরান পরবর্তী দফার আলোচনায় বসতে আগ্রহী হবে। ইরানের সংবাদমাধ্যম ‘শার্গ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই শর্ত উল্লেখ করেন।

আলোচনার পূর্বশর্ত

ইরাভানি জানান, যেকোনো নতুন সংলাপ শুরু করার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই তাদের বর্তমান বৈরী আচরণ এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মতো কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র যদি ইতিবাচক সাড়া দেয় এবং অবরোধ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু করে, তবে পরবর্তী উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে পারে।'

জাতীয় স্বার্থে আপস নয়

ইরানি রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ইরান তার জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে কোনো আপস করবে না। তিনি ইরানের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, 'ইরান কখনোই সামরিক আগ্রাসনের সূচনাকারী হতে চায় না। আমরা সবসময় রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে। তবে কেউ যদি যুদ্ধের পথ বেছে নেয়, তবে ইরানও তার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের জটিল পরিস্থিতিতে ইরান যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি বজায় রেখেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ততদিন বাড়ানো হবে যতদিন না তেহরান স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসানের জন্য একটি প্রস্তাব দেয়। তবে তিনি এটিও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ অব্যাহত রাখবে। ইরাভানির মন্তব্য ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরই এলো।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই শর্ত দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নিরসনের একটি সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ