যুক্তরাষ্ট্রে ১০০ বছরের পুরোনো বাড়ি থেকে মিলল অজানা ধনভাণ্ডার
যুক্তরাষ্ট্রে ১০০ বছরের পুরোনো বাড়ি থেকে মিলল অজানা ধনভাণ্ডার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের একটি ১০০ বছরের পুরোনো বাড়ি থেকে অজানা ধনভাণ্ডার উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়ির মালিক মারা যাওয়ার পর উত্তরাধিকারীরা বাড়িটি পরিষ্কার করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও মূল্যবান জিনিসপত্র পান।

ঘটনার বিবরণ

নিউ ইয়র্কের বাফেলো শহরের একটি পুরোনো বাড়ি থেকে সম্প্রতি এই ধনভাণ্ডার উদ্ধার হয়। বাড়িটির মালিক ৯২ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা ছিলেন, যিনি গত মাসে মারা যান। তার কোনো সন্তান না থাকায় বাড়িটির উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছেন তার দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়।

আত্মীয়টি বাড়িটি পরিষ্কার করতে গিয়ে একটি পুরোনো আলমারির পেছনে লুকানো একটি সিন্দুক পান। সিন্দুকটি খুলে দেখেন ভিতরে স্তূপ করে রাখা স্বর্ণের বার, প্রাচীন মুদ্রা এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উদ্ধার হওয়া সম্পদের পরিমাণ

উদ্ধার হওয়া সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ লাখ ডলার বলে জানিয়েছেন স্থানীয় গহনা বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে রয়েছে ১০০টিরও বেশি স্বর্ণের বার, ৫০০টির বেশি প্রাচীন স্বর্ণমুদ্রা এবং বেশ কিছু হীরার গয়না।

বাড়ির মালিকের দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং প্রতিবেশী মিস্টার জনসন বলেন, “মিসেস স্মিথ সবসময়ই অত্যন্ত সাদামাটা জীবনযাপন করতেন। কেউ কল্পনাও করতে পারেনি যে তার এত সম্পদ আছে। তিনি সম্ভবত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে এগুলো জমা করেছিলেন।”

আইনি জটিলতা

এই ধনভাণ্ডার উদ্ধারের পর আইনি জটিলতা দেখা দিয়েছে। উত্তরাধিকারী দাবি করলেও স্থানীয় আইন অনুযায়ী, কোনো মৃত ব্যক্তির বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া অঘোষিত সম্পদের ওপর সরকারের কর আরোপের অধিকার রয়েছে।

নিউ ইয়র্ক রাজ্যের কর বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। মিসেস স্মিথের কোনো কর রিটার্নে এই সম্পদের উল্লেখ ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, মিসেস স্মিথকে সবাই অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতে দেখেছেন। তিনি কখনোই বিলাসবহুল কিছু ব্যবহার করতেন না।

এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা সবাই অবাক। উনি নিয়মিত স্থানীয় গির্জায় যেতেন এবং দান করতেন। কিন্তু কখনোই ধনী বলে মনে হতো না।”