বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে
বাংলাদেশের রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে (23.06.2026)

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৩ জুন পর্যন্ত রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলারে।

রিজার্ভ কমার কারণ

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় কমে যাওয়ার কারণে রিজার্ভ কমছে। এছাড়াও রেমিট্যান্স প্রবাহও কমেছে।

অর্থনীতিতে প্রভাব

রিজার্ভ কমে যাওয়ায় ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমছে। এর ফলে আমদানি পণ্যের দাম বাড়ছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিজার্ভের এই পতন অর্থনীতির জন্য একটি উদ্বেগজনক সংকেত।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে ডলার সংকট মোকাবেলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, যেমন এলসি খোলার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য ডলার বিক্রির নির্দেশনা জারি করা। তবে এই পদক্ষেপগুলো দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশের রিজার্ভেও পড়েছে। দেশের জ্বালানি ও খাদ্য আমদানি ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার সম্প্রতি বলেছেন, 'রিজার্ভের এই পতন অস্থায়ী এবং সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।' তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রিজার্ভ ধরে রাখতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

সরকার রপ্তানি আয় বাড়াতে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। পাশাপাশি আমদানি কমাতে স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ