শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় একজন শিক্ষার্থীর ১২ বছর স্কুল ও ৬ বছর উচ্চশিক্ষা শেষে মোট ১৮ বছর লাগার কথা, কিন্তু বাংলাদেশে তা হচ্ছে ২০ বছর। ফলে প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে দুটি করে বছর নষ্ট হচ্ছে।
৪০ লাখ শিক্ষার্থীর সময় নষ্ট
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম কলেজ অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'আপনার টুয়েলভ গ্রেড অব এডুকেশন হবে ১২ প্লাস ৬, কত? ১৮। আর আমরা করছি কত? ২০। প্রত্যেকটি স্টুডেন্টের কাছ থেকে আমরা দুটি বছর করে নিয়ে নিচ্ছি। এখন অ্যাপ্রক্সিমেটলি...২০ লাখস, টু মিলিয়ন। ২০ লাখস স্টুডেন্ট অ্যাপেয়ার্ড ইন এসএসসি এক্সাম, অ্যাপ্রক্সিমেটলি এসএসসি অ্যান্ড সমমানের। আর নিয়ারলি...২০ লাখস যায় এইচএসসি অ্যান্ড সমমানের। তাহলে ৪০ লাখস স্টুডেন্ট। তাহলে আমরা এক বছর করে সময় নষ্ট করলে ৪০ লাখস ইয়ার্স আমরা জাতির জীবনে পিছিয়ে গেলাম, অ্যাম আই রাইট?'
চার বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করার আহ্বান
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রক্রিয়া দ্রুত করার পাশাপাশি চার বছরের কোর্স চার বছরের মধ্যেই শেষ করতে হবে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, 'ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশনগুলোও আমরা নিয়ে আসব এবং ফোর ইয়ার্স ইউনিভার্সিটি হ্যাজ টু বি ফিনিশড উইদিন ফোর ইয়ার্স। হোয়াই নট? ইউনিভার্সিটি কি আমাদের বাইরে? ইউনিভার্সিটি ভিসি কি আমরা বানাইনি? ইউনিভার্সিটি ভিসির সেই খাতায় কি আমাদের প্রধানমন্ত্রী, মহামান্য রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করেনি? তাহলে তাদেরও উইদিন ফোর ইয়ার্স বেরিয়ে আসতে হবে।'
সিলেবাস আপডেট ও স্মার্ট শিক্ষার নির্দেশ
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সিলেবাস ও কারিকুলাম আপডেট করতেই হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী, তিনি বলছেন- স্মার্ট হতে হবে, তথ্যনিষ্ঠ হতে হবে, রেজিলিয়েন্ট হতে হবে, ভ্যালুবেসড এডুকেশন হতে হবে, আনন্দদায়ক শিক্ষা ব্যবস্থা করতে হবে। এগুলো সব করতে হবে।'
সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সাঈদ আল নোমান উপস্থিত ছিলেন।



