কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার, সাত কিমি দূরে ভেসে ওঠে
কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার সাত কিমি দূরে

কক্সবাজারের উখিয়ায় ইনানী সমুদ্রসৈকতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ পর্যটক মোহাম্মদ সায়েমের (২২) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে ইনানী সমুদ্রসৈকতের প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে রামুর রেজুখাল ব্রিজ এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। এর আগে গতকাল শনিবার দুপুরে নিখোঁজ হন মোহাম্মদ সায়েম।

নিহতের পরিচয় ও পরিবার

নিহত তরুণ চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুয়াইশ গ্রামের চৌধুরীবাড়ির মুহাম্মদ ইকবালের ছেলে। তিনি হাটহাজারীর বুড়িশ্চর জিয়াউল উলুম কামিল মাদ্রাসার ফাজিলের (ডিগ্রি) শিক্ষার্থী ছিলেন। সায়েম তাঁর বাবা–মায়ের একমাত্র ছেলে। তিন বোন রয়েছে তাঁর।

ঘটনার বিবরণ

পরিবারের সদস্যরা জানান, গত শুক্রবার বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে যান সায়েম। গতকাল দুপুরে ইনানী সৈকতে গোসল করতে নেমেছিলেন তিনি। এর একপর্যায়ে তিনি পানিতে ভেসে যান। এর পর থেকে তাঁর সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে আসছে সি-সেফ লাইফগার্ড, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের দল। এর মধ্যে আজ সকাল ১০টার দিকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে সায়েমের লাশ ভেসে ওঠে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিবারের বক্তব্য

নিহত সায়েমের বাবা মুহাম্মদ ইকবাল আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, “ছেলের লাশ বাড়িতে নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে তাঁরা কক্সবাজারে অবস্থান করছেন। লাশটি তাঁর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।”

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

হাটহাজারীর শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মুহাম্মদ লোকমান হাকিম প্রথম আলোকে বলেন, “তরুণ সায়েমের মৃত্যুতে এলাকার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া বিরাজ করছে। এলাকায় আনার পর সায়েমের লাশ সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

জানতে চাইলে কক্সবাজারের রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, “স্থানীয় লোকজনের খবরে ফায়ার সার্ভিস ওই তরুণের লাশ উদ্ধার করেছে। রামুর রেজুখাল ব্রিজের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। ইনানী থেকে এটি ৭ কিলোমিটার দূরে। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী, লাশটি হস্তান্তরের বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”