দীর্ঘস্থায়ী কাশি একটি সাধারণ কিন্তু বিরক্তিকর সমস্যা। অনেক সময় এটি সর্দি, অ্যালার্জি বা অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া প্রতিকারও এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।
মধু ও লেবুর মিশ্রণ
মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এক চামচ মধুর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কাশি কমে। গবেষণায় দেখা গেছে, মধু কাশির সিরাপের চেয়েও কার্যকর হতে পারে।
আদা চা
আদা প্রদাহনাশক এবং কাশি উপশমকারী। আদা কুচি করে গরম পানিতে ফুটিয়ে চা বানিয়ে পান করলে আরাম পাওয়া যায়। দিনে ২-৩ বার পান করলে উপকার বেশি।
গরম পানির ভাপ
গরম পানির ভাপ নিলে শ্বাসনালী পরিষ্কার হয় এবং কাশি কমে। একটি বাটিতে গরম পানি নিয়ে মাথা ঢেকে ১০-১৫ মিনিট ভাপ নিন। এতে ইউক্যালিপটাস তেল যোগ করলে আরও কার্যকর।
লবণ পানির গার্গল
গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গার্গল করলে গলার জ্বালা কমে এবং কাশি উপশম হয়। দিনে ২-৩ বার গার্গল করা ভালো।
হলুদের দুধ
হলুদে থাকা কারকিউমিন প্রদাহনাশক এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। গরম দুধে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে পান করলে কাশি কমে। রাতে ঘুমানোর আগে পান করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
তবে মনে রাখবেন, কাশি ২ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে বা জ্বর, শ্বাসকষ্ট থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।



