এবিও পদ্ধতি: রক্তের গ্রুপ ও এর গুরুত্ব
এবিও পদ্ধতি: রক্তের গ্রুপ ও গুরুত্ব

মানুষের রক্ত বিভিন্ন উপাদানে গঠিত, এবং শত শত পদ্ধতিতে শ্রেণীভুক্ত করা যায়। তবে এবিও পদ্ধতি (ABO System) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি নির্ধারণ করে কোন গ্রুপের রক্ত কার শরীরে নিরাপদ। এই পদ্ধতিতে রক্ত চারটি প্রধান গ্রুপে বিভক্ত: এ, বি, ও এবং এবি।

এবিও পদ্ধতির মূলনীতি

এ গ্রুপের রক্তের লোহিত কণিকায় 'এ' অ্যান্টিজেন থাকে, যা শরীরে রোগপ্রতিরোধক অ্যান্টিবডি তৈরির প্রণোদনা জোগায়। বি গ্রুপের রক্তে থাকে 'বি' অ্যান্টিজেন, ও গ্রুপে কোনো অ্যান্টিজেন নেই, এবং এবি গ্রুপে উভয় অ্যান্টিজেনই থাকে।

রক্তের সিরাম ও সামঞ্জস্য

বিভিন্ন গ্রুপের রক্তের সিরামে বিপরীতধর্মী অ্যান্টিবডি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, এ গ্রুপের রক্তের সিরামে বি-অ্যান্টিবডি থাকে, যা বি গ্রুপের রক্তকে আক্রমণ করে। ফলে রক্ত জমাট বেঁধে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ও গ্রুপ: সর্বজনীন দাতা

ও গ্রুপের রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন না থাকায় এটি যেকোনো গ্রুপের সঙ্গে মিশতে পারে। তাই ও গ্রুপের ব্যক্তিদের 'ইউনিভার্সাল ডোনার' বা 'সর্বজনীন রক্তদাতা' বলা হয়। অন্যদিকে, এবি গ্রুপের ব্যক্তিরা সর্বজনীন গ্রহীতা।

রক্তদানের প্রয়োজনীয়তা

অপারেশন বা দুর্ঘটনার সময় রক্তের প্রয়োজন হয়। জরুরি অবস্থায় দ্রুত রক্তদানের জন্য পরিচয়পত্রে রক্তের গ্রুপ উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যান্য প্রাণীর রক্তের গ্রুপ

স্তন্যপায়ী প্রাণীদের রক্তেও গ্রুপের ভিন্নতা থাকে। যেমন, বেড়ালের রক্তের গ্রুপ এ, বি, এবি হতে পারে; কুকুরের রক্তের গ্রুপ ডিইএ (ডগ এরিথ্রোসাইট অ্যান্টিজেন) পদ্ধতিতে নির্ধারিত হয়। প্রাণীদের রক্তদানের সময়ও গ্রুপ মিলিয়ে নেওয়া আবশ্যক।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ