নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ শেষ ভুক্তভোগী সায়মা আক্তার (৩২) শুক্রবার ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচজনে।
মৃত্যুর সময় ও স্থান
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সায়মা আক্তার শুক্রবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
পরিবারের অন্যান্য সদস্যের মৃত্যু
এর আগে সায়মার স্বামী কালাম (৪৫), ছেলে মুনা (১২) ও দুই মেয়ে মুনি (১০) ও কোঠা (৭) ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মুনা ও মুনি বৃহস্পতিবার, কোঠা বুধবার এবং কালাম সোমবার মারা যান।
বিস্ফোরণের বিবরণ
গত ১০ মে ভোর ৬টা ৫৫ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার উত্তর ভূইগড়ে একটি আটতলা ভবনের নিচ তলার একটি ফ্ল্যাটে এই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পরিবারের পাঁচ সদস্যই গুরুতর দগ্ধ হন।
বিস্ফোরণের কারণ
বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, রান্নাঘরের পাশে গ্যাস লাইনে লিকেজের কারণে ঘরের ভেতর গ্যাস জমে যায়। একটি লাইটার জ্বালানো হলে বিস্ফোরণ ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দগ্ধের মাত্রা
কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ, সায়মার ৬০ শতাংশ এবং তাদের তিন সন্তানের শরীরের ৩০ থেকে ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।



