প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, হামের টিকা কেনায় গাফিলতি রয়েছে এবং এই গাফিলতির কারণেই ২০২৪ সালের টিকার রাউন্ড পুরোপুরি মিস করা হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ‘৩৪তম ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইভস (আইসিএম) ট্রায়েনিয়াল কংগ্রেসে’ অংশগ্রহণসহ সাম্প্রতিক ইউরোপ সফর শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
টিকা প্রকিউরমেন্টে ব্যর্থতা
জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, ‘হামের টিকা কেনা নিয়ে গাফিলতি আছে, এটা আমরা বলেই দিয়েছি। তাদের গাফিলতির জন্যই ২০২৪ সালের যে টিকার রাউন্ড, সেটা পুরোপুরি মিস করা হয়েছে। ভ্যাকসিনে কোনো প্রকিউরমেন্ট হয়নি, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত প্রোডাক্ট প্রকিউরমেন্ট হয়নি। এখানে গাফিলতি আছে, এটা নিঃসন্দেহে। এ জন্য কোনো তদন্ত করার দরকার নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘না, এখানে তদন্তের কী আছে। আমরা জানি, অপারেশনাল প্ল্যান বাদ দিয়ে এটাকে ডিপিপিতে মাইগ্রেট করা হয়েছে। তখন হয়তো ধারণা করা হয়েছিল, ডিপিপিগুলোকে অ্যাপ্রুভ করতে এক মাস দেড় মাসের মধ্যে তারা অ্যাপ্রুভ করতে পারবে এবং টাকা অ্যাভেলেবল হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র হলো, এক বছরেও অনেক ডিপিপি প্রিপারেশন সম্ভব হয়নি এবং সেগুলোকে টেকনিক্যাল অ্যাপ্রুভাল, প্রজেক্ট তৈরি করা সম্ভব হয়নি। যার ফলে স্বাভাবিক ফান্ড ফ্লো ওপির মাধ্যমে হচ্ছিল, সেটা বন্ধ হয়ে যায় এবং এই ঘাটতির বোঝা আমরা জাতি হিসেবে এখনও বহন করছি।’
পরিবার পরিকল্পনা পণ্যের ঘাটতি
জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, ‘আমাদের ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের বিভিন্ন প্রোডাক্টের বিভিন্ন জায়গাতে স্টক আউট। হ্যাঁ, সেগুলো আমরা কীভাবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্রয় করতে পারি, সেগুলো নিয়ে আমাদের মন্ত্রীসহ সবাই কাজ করছি। মন্ত্রী কোপেনহেগেনে ইউনিসেফের সাপ্লাই ডিভিশনের হেডকোয়ার্টারে যাচ্ছেন, তাদের সঙ্গে আলাপ করার জন্য যাতে করে আমাদের অন্যান্য অ্যাসেনশিয়াল প্রোডাক্ট যেগুলোর ঘাটতি আছে, সেগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্রয় করা যায় এবং ঘাটতি পূরণ করা যায়। এ জন্য আমরা দিন-রাত পরিশ্রম করছি এবং কাজ করছি।’



