টুঙ্গিপাড়ায় মোবাইল কোর্টের অভিযান: মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে ফার্মেসি মালিক জরিমানা
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় মোবাইল কোর্টের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে ফার্মেসি মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযানটি বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার নিলফা বাজারে পরিচালিত হয়, যা জনস্বার্থে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অভিযানের বিস্তারিত বিবরণ
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হালদারের নেতৃত্বে এই মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নিলফা বাজারের মোল্লা ফার্মেসির মালিক হেদায়েত মোল্লার দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। টুঙ্গিপাড়া থানার সদস্যরাও এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, যা আইন প্রয়োগের সমন্বয়কে নির্দেশ করে।
ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার জানান, কুশলী ইউনিয়নের নিলফা বাজারে অবস্থিত মোল্লা ফার্মেসির মালিক হেদায়েত মোল্লার বিরুদ্ধে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির অভিযোগে বেশ কয়েকটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তার ফার্মেসিতে তদন্ত চালানো হয় এবং সেখানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের স্টক পাওয়া যায়।
জরিমানা ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ
এই অনিয়মের জন্য ফার্মেসি মালিক হেদায়েত মোল্লাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট হালদার আরও উল্লেখ করেন যে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, যাতে ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, "মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি বা সংরক্ষণ করা একটি গুরুতর অপরাধ, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। আমরা নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান চালিয়ে যাব।"
এই ঘটনা টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের সক্রিয় ভূমিকার প্রতিফলন ঘটায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই অভিযান ভবিষ্যতে অন্যান্য ফার্মেসি মালিকদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।
- অভিযানটি বৃহস্পতিবার দুপুরে নিলফা বাজারে পরিচালিত হয়।
- মোল্লা ফার্মেসির মালিক হেদায়েত মোল্লাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- মোবাইল কোর্টে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার নেতৃত্ব দেন।
- টুঙ্গিপাড়া থানার সদস্যরা অভিযানে সহায়তা করেন।
এই পদক্ষেপটি স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মকানুন মেনে চলার গুরুত্বকে তুলে ধরে এবং ভোক্তা সুরক্ষায় সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটায়। কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেন যে, এ ধরনের অভিযান ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণে আরও সচেতনতা তৈরি করবে।
