প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজনে অনলাইনে একটি মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৩ সালের ২৯ নভেম্বর এই সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ডা. মোহিত কামাল। তিনি ‘গণতান্ত্রিক প্যারেন্টিং কী ও কেমন’ বিষয়ে আলোচনা করেন। তাঁর আলোচনা থেকে গণতান্ত্রিক প্যারেন্টিংয়ের মূল ভিত্তিগুলো তুলে ধরা হলো।
গণতান্ত্রিক প্যারেন্টিংয়ের মূল ভিত্তি
মৌলিক ও মানসিক চাহিদা পূরণ
শুধু অন্ন, বস্ত্র বা শিক্ষার মতো মৌলিক চাহিদাই নয়, সন্তানের মানসিক নিরাপত্তা ও ভালোবাসার চাহিদাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এটি গণতান্ত্রিক প্যারেন্টিংয়ের প্রথম ও প্রধান ভিত্তি।
কৌতূহলকে মূল্যায়ন
সন্তান কোনো প্রশ্ন করলে তাকে এড়িয়ে না গিয়ে বা ধমক না দিয়ে ধৈর্য ধরে যথাযথ উত্তর দেওয়া জরুরি। এতে তার শেখার আগ্রহ ও বুদ্ধিমত্তা বাড়ে।
ভারসাম্যপূর্ণ স্বাধীনতা
সন্তানকে নিজের মতো চলার স্বাধীনতা দিতে হবে, তবে তার ওপর একটি অদৃশ্য কিন্তু সুনির্দিষ্ট সীমারেখা বা নিয়ন্ত্রণ রাখা প্রয়োজন। এতে সে স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে না।
সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশীদারিত্ব
যেকোনো পারিবারিক বা সন্তানের নিজস্ব বিষয়ে চাপিয়ে না দিয়ে, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তার মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এটি সন্তানের আত্মবিশ্বাস ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
গণতান্ত্রিক প্যারেন্টিং বা ইতিবাচক অভিভাবকত্ব পদ্ধতিটি সন্তানের সুস্থ ব্যক্তিত্ব ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী।



