‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’—একটি বিখ্যাত বাংলা প্রবাদ। এখানে ‘খাঁড়া’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো অসি, খড়গ বা ছুরি। তবে প্রবাদটির ভাবার্থ হচ্ছে যন্ত্রণাকাতর ব্যক্তিকে আরও কষ্ট দেওয়া বা দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের ওপর আরও অত্যাচার করা। দেশে হামের প্রকোপ মহামারির আকার ধারণ করেছে। হামের মতো রোগে যে শিশুর মৃত্যু হতে পারে—এমন কথা এ দেশের মানুষ ভুলেই গিয়েছিল। সেই হামে ইতোমধ্যে কয়েকশ’ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। হামের সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিন বেড়েই চলছে। হামের সংক্রমণের সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করলে দেশে ‘জনস্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করা উচিত। বর্তমান বাস্তবতায় দেশবাসী বিশেষ করে যেসব পরিবারে শিশু আছে, তাদের মধ্যে সুতীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। হামের টিকাদান শুরু হয়েছে। তবে এখনও এই কালান্তক ব্যাধির প্রকোপ কমার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরঞ্চ দিন দিন রোগটির তীব্রতা বাড়ছে।
ডেঙ্গুর ক্রমবর্ধমান প্রকোপ
হামের আক্রমণে দেশের মানুষ যখন বেহাল বেদিশা ঠিক তখনই আরেকটি ভয় জাগানিয়া সংক্রামক রোগ ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতার কারণে ‘ডেঙ্গু’ আরেকটি আতঙ্কের নাম। ক্রমশ ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা এবং ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বেড়ে চলছে। তাই বলছি, ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’। যদি হাম নিয়ন্ত্রণ এবং ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়া না যায়, তাহলে কিন্তু আমাদের একটি ভয়াবহ মানবিক দুর্যোগের মুখোমুখি হতে হবে।
বাংলাদেশে ডেঙ্গুর ইতিহাস
১৯৯৯ সালে বাংলাদেশে ডেঙ্গুজ্বরের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। ডেঙ্গুকে ইংরেজি ভাষায় বলা হয় ‘ডেঙ্গি’। ইংরেজিতে ডেঙ্গি বানান হচ্ছে ‘Dengue’। সম্ভবত বাংলাভাষীদের কাছে ‘Dengue’ শব্দটির উচ্চারণ ‘ডেঙ্গি’-র বদলে ‘ডেঙ্গু’ মনে হওয়াতে এই নামটিই শেষ পর্যন্ত বহাল থেকে গিয়েছে, ডেঙ্গি আর হালে পানি পায়নি। বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবকে দুই পর্বে ভাগ করা যায়। প্রথম পর্বটি ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। এই পর্যায়ে ডেঙ্গু ছিল একটি মৌসুমি ও শহুরে রোগ। তখন ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঢাকা ও কয়েকটি বড় শহরে দেখা যেত। সেসময় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব কেবলমাত্র বৃষ্টির মৌসুমে হতো। দ্বিতীয় পর্বটি ২০১৯ সাল থেকে শুরু হয়। সে বছর ডেঙ্গুর একটি মহামারি হয়। মহামারির সময় থেকে রোগটির বৈশিষ্ট্য বদলে যায়। তখন থেকে বৃষ্টি বা বর্ষা মৌসুমের বদলে বছরব্যাপী ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিতে থাকে। ২০১৯ সালে শহর থেকে রোগটি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবেই ডেঙ্গু দেশের সাংবাৎসরিক রোগে পরিণত হয়।
ডেঙ্গু ভাইরাস ও এর বাহক
ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। ডেঙ্গু ভাইরাস দ্বারা রোগটি হয় বলে একে ডেঙ্গু বা ডেঙ্গুজ্বর বলা হয়। এই ভাইরাসের বাহক হলো এডিস মশা। ডেঙ্গু ভাইরাস আছে এমন মানুষের শরীরে স্ত্রী এডিস মশা কামড়ালে রক্তের সঙ্গে মশার শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করে। ভাইরাসবাহী মশা সুস্থ মানুষকে কামড়ানোর সময় ডেঙ্গু ভাইরাস সেই মানুষটির শরীরে প্রবেশ করে। এভাবে মানুষ থেকে মশা, মশা থেকে মানুষ, আবার মানুষ থেকে মশা অর্থাৎ চক্রাকারে ডেঙ্গু ভাইরাসের বিস্তার চলতে থাকে। একবার একটি স্ত্রী এডিস মশার শরীরে ডেঙ্গু ভাইরাস প্রবেশ করলে মশাটি সারাজীবন এটা ছড়াতেই থাকে। সাধারণত একটি স্ত্রী এডিস মশার জীবনকালে কমবেশি চার সপ্তাহের মতো হয়। সাধারণভাবে ডেঙ্গু মানুষের রোগ। তবে অন্য এক-দুটি মেরুদণ্ডী প্রাণীর শরীরে কদাচিৎ ডেঙ্গু ভাইরাস সংক্রমণ করতে পারে।
এডিস মশার প্রজাতি
এডিস মশার একটি প্রজাতি হলো এডিস ইজিপ্টাই। এগুলোকে মিসরীয় মশা এবং ডেঙ্গু মশা বলেও ডাকা হয়। এরা মানুষের ঘরবাড়ি ও বসত বাড়ির চারপাশে বাস করে। এজন্য অনেকে একে ‘আবাসিক মশাও’ বলা হয়ে থাকে। সাধারণত এডিস ইজিপ্টাই ডেঙ্গুর প্রধান বাহক হিসাবে কাজ করে। এডিস অ্যালবোপিকটাস নামে এডিসের আরেকটি প্রজাতি ডেঙ্গুর বাহক হিসাবে কাজ করে। এই প্রজাতির মশাটিকে ‘এশিয়ান টাইগার’ নামে ডাকা হয়। এই মশা ঝোপঝাড় ও গাছপালায় থাকে বলে একে ‘বুনো এডিস মশা’ নামে ডাকা হয়। সাধারণ সময়ে এডিস অ্যালবোপিকটাস ডেঙ্গুর বাহক হিসাবে খুব কম ভূমিকা পালন করে। কিন্তু মহামারির সময় এই প্রজাতির মশা ডেঙ্গু ভাইরাস বহনে সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং ডেঙ্গু বিস্তারে বেশ ভূমিকা রাখে।
২০১৯ সালের পর ডেঙ্গুর বিস্তার
২০১৯ সালের আগে ডেঙ্গু শুধু বৃষ্টির মৌসুমে শহর এলাকায় হতো। প্রশ্ন হলো- ২০১৯ সাল থেকে কেন এবং কীভাবে ডেঙ্গু পুরো দেশে ছড়িয়ে গেল? আর কোন কারণে তখন থেকে পুরো বছর ধরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ হয়? বিশ্বব্যাপী ডেঙ্গুকে শহুরে রোগ বা আরবান ডিজিজ বলা হয়। সাধারণত এডিস ইজিপ্টাই শহর এলাকায় বাস করে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশে ডেঙ্গু মহামারির সময় কিন্তু তৎকালীন কর্তৃপক্ষ অবস্থার ভয়াবহতা অস্বীকার করে। সেসময় জনস্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা ঘোষণার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন সরকার বিষয়টি এড়িয়ে যায়। যেমন বর্তমানে হামের মহামারি নিয়ে জনস্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা উচিত হলেও সরকার সেটা এড়িয়ে যাচ্ছে। যাইহোক, তখন বিপুল সংখ্যক মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়। হাজার হাজার মানুষ ডেঙ্গুর ভাইরাস বহন করে দেশের সর্বত্র যাতায়াত করে। বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এবং অন্যান্য উপায়ে ভাইরাসবাহী এডিস মশা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া এডিস অ্যালবোপিকটাস ব্যাপকভাবে ডেঙ্গুর বাহকে রূপান্তরিত হয়। এগুলো ঝোপঝাড়ে থাকে এবং সব মৌসুমে রোগ ছড়াতে থাকে। এভাবেই শহরের ডেঙ্গু গ্রামে পৌঁছে যায় এবং বর্ষা মৌসুমের বদলে সারাবছর ধরে ডেঙ্গু সংক্রমিত হতে থাকে।
বর্তমান পরিস্থিতি
২০২৫ সালের প্রায় প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গেছে। এবছরেরও প্রথম থেকে আজ পর্যন্ত প্রতিটি দিন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর খবর সংবাদপত্রের পাতায় স্থান পেয়েছে। এবছর বেশ আগে থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। বৃষ্টি হলে বিভিন্ন জায়গা ও নানাধরনের পাত্রে পানি জমে থাকার সুযোগ তৈরি হয়। আমরা অনেকেই জানি, জমে থাকা পরিষ্কার পানি হচ্ছে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযুক্ত জায়গা। ফলে বৃষ্টিপাত শুরুর সময় থেকেই বাংলাদেশে অতি দ্রুত এডিস মশার বংশবৃদ্ধি ঘটতে শুরু করেছে। এডিস মশার বংশবৃদ্ধির হার যত বেশি হবে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আনুপাতিক হারে ততবেশি বাড়বে। ডেঙ্গুর হাত থেকে রেহাই পাওয়ার প্রধান উপায় হলো এডিস মশা নির্মূল করা। সেটা পুরোপুরি করা না গেলেও নিদেনপক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত নির্মূল তো দূরের কথা আংশিকভাবে মশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণও করা যায়নি। সবকিছু মিলিয়ে বলা যায়, বর্তমানে দেশে ডেঙ্গুর ব্যাপক বিস্তার ঘটার অনুকূল বস্তুগত অবস্থা বিরাজ করছে।
মশা নিয়ন্ত্রণে অতীতের ব্যর্থতা
২০০০ সাল থেকেই বাংলাদেশে এডিস মশা নির্মূল করার লক্ষ্যে ব্যাপক মৌসুমি কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তাতে বিস্তর টাকাপয়সা খরচ করা হয়েছে। টাকাপয়সা মানে হচ্ছে জন-অর্থ বা জনসাধারণের টাকা। তবে সেসব কাজের বড় অংশজুড়ে ছিল প্রদর্শনবাদিতা এবং বক্তৃতাবাজি। কোনও কোনও কর্তাব্যক্তির তেজস্বী বক্তৃতা শুনে মনে হতো তাদের ধমকে অথবা বক্তব্যের তেজে মশারা সব দলে দলে অক্কা পাবে। সাধারণ মানুষ কর্তাদের নরম-গরম, মিঠা-তিতা, মোলায়েম-কঠোর সবরকম ধমক বা ভীতি প্রদর্শনে ভয় পেয়ে থাকে। সুবোধ বালকের মতো জনসাধারণ কর্তা হুজুরদের নির্দেশ মেনে চলে। কিন্তু মশারা এখনো সভ্য হয়নি। উপরন্তু রক্তচোষা পতঙ্গগুলো মানুষের ভাষা শিখে উঠতে পারেনি। তাই ওরা কর্তাদের সমস্ত ওজস্বী-তেজস্বী বক্তৃতাকে বুড়া আঙ্গুল দেখিয়ে ডেঙ্গু বিস্তারের কাজটা চালিয়ে যেতে থাকে। আগে সকাল-সন্ধ্যা রুটিন করে বড় শহরের নানা জায়গায় মশা মারার ওষুধ ছেটানো হতো। তাতে মশার সংখ্যা খুব একটা কমেছে বলে কখনো কারো কাছে মনে হয়নি। বরঞ্চ দুষ্টু প্রকৃতির কিছু লোক বলে বেড়াত এসব ওষুধ খেয়ে মশারা একদিকে ওষুধ প্রতিরোধী এবং অন্যদিকে স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠেছিল। দুষ্টুদের এসব কথা অবশ্য কোনও গবেষণায় প্রমাণিত হয়নি। তখন আমাদের কতিপয় কর্তাজন মশক নিধনে দারুণ উৎসাহ উদ্দীপনা দেখিয়েছেন। তারা তৃতীয় বিশ্বের রাজধানী শহর ঢাকার এডিস মশা নিধনের কৌশল শিখতে প্রথম বিশ্বের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত শহর ফ্লোরিডার মশা মারার কর্মযজ্ঞ পরিদর্শনে গিয়েছেন। ব্যাপারটা শুনতে ভালো লাগলেও দুষ্টু লোকদের মনে ‘কোথায় আগরতলা আর কোথায় চৌকির তলা’ জাতীয় প্রবাদ লাফ দিয়ে উঠে।
মশা নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাবিত কৌশল
আমরা মনে করি ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলে আমাদের কতগুলো সহজ-সরল কাজ করতে হবে। সেটা হচ্ছে, রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত একসঙ্গে মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করতে হবে। অভিযানটি পরপর দুই বা তিনদিন চলবে। প্রতিবছর দুবার এই অভিযান পরিচালিত হবে। এই অভিযানের কাজগুলো হবে—
- এক. এডিস ইজিপ্টাই ও এডিস অ্যালবোপিকটাস মশার বাসস্থান ও ডিম পাড়ার স্থান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা।
- দুই. সারা দেশে একসঙ্গে মশা ও শূককীট মারার কার্যকর ওষুধ ছিটানো। বড় শহর, মফস্বল শহর, শহরতলি এবং গ্রামাঞ্চলের মাঠ পর্যায়ে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কার্যকর ওষুধ নির্বাচন করতে হবে।
- তিন. স্থানীয় সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, আনসার ভিডিপির সদস্য, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, এনজিওগুলোর কর্মকর্তা-কর্মীসহ সমাজের সবধরনের মানুষকে যুক্ত করে মশক নিধন কার্যক্রম চালাতে হবে।
- চার. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত ডেঙ্গুর টিকা প্রদান শুরু করা এবং
- পাঁচ. ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হওয়ার পরে নয়, সারা বছর ধরে মশা মারা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধী কার্যক্রম জারি রাখতে হবে।
সবার অংশগ্রহণ জরুরি
অনিবার্য মৃত্যুতে মানুষ শোকে মূর্ছা গেলেও এক পর্যায়ে মেনে নেয়। কিন্তু প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু রাষ্ট্র, সমাজ এবং ব্যক্তিমানুষের দায়িত্বহীনতার ফলে ঘটে থাকে। এটি অগ্রহণযোগ্য এবং অত্যন্ত দুঃখজনক। ডেঙ্গুর মতো তীব্র সংক্রামক একটি রোগকে নিয়ন্ত্রণ এবং মশামুক্ত দেশ গড়ার জন্য গৃহীত সবধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে সব শ্রেণির মানুষকে যুক্ত করতে হবে। এটাই হবে সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি। বাস্তবমুখী ও প্রয়োগযোগী সঠিক পরিকল্পনা এবং কৌশল প্রণয়নের দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের। মশা মারার সঠিক ওষুধ, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও রসদ যোগাড়ের দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধী কার্যক্রমে কখনো সংঘবদ্ধ, কখনো পেশাগত এবং কখনো ব্যক্তি মানুষ হিসেবে ভূমিকা পালন করতে হবে। সবাই দায়িত্ব পালন করলে ডেঙ্গুবিরোধী লড়াইয়ে আমাদের বিজয় অনিবার্য।
লেখক: জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ



