কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সরকারি মালামাল বিক্রি করে চুরির নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে রৌমারী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা না করে থানা থেকে মালামাল ফেরত আনায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
অধিদপ্তরের একটি গোডাউন থেকে মালামাল চুরি, চোর চিহ্নিতকরণ, থানা পুলিশ কর্তৃক মালামাল জব্দ হলেও রহস্যজনক কারণে মামলা করেননি ঐ কর্মকর্তা। আদালতের অনুমতি ছাড়া শুধুমাত্র মুসলেকা নিয়ে উদ্ধার হওয়া মালামাল ফেরত দেওয়ায় পুলিশের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি মালামালগুলো কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম নিজে বিক্রি করে একটি চুরির নাটক সাজিয়েছেন।
চুরির ঘটনা ও তদন্ত
জানা যায়, গত ১৬ এপ্রিল রৌমারী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একটি গোডাউন থেকে ২০ লিটারের ৮৫টি বালতি, ৮৫টি বালতির ঢাকনা, ১০ লিটারের ২৯০টি জেরিকেন, ৪টি সিলিং ফ্যান, ৪ শতাধিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ৪ শতাধিক নেপকিনসহ অনেক মালামাল চুরি হয়। দীর্ঘ ১৪ দিন পর অর্থাৎ ১ মে রৌমারী থানায় একটি সাধারণ ডায়ারি করেন অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম। সাধারণ ডায়ারির সূত্র ধরে পুলিশ রৌমারী বাজারের হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম, আব্দুল মালেক, শহিদুর রহমান, মঞ্জুর আলম ও প্রদীপ চন্দ্রের দোকান থেকে বালতি, জেরিকেন ও কিছু টুল জব্দ করে।
উপজেলা প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে মামলা করতে অনীহা প্রকাশ করার দাবি করেন। রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, "উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের চুরির যাওয়া মালামালের ব্যাপারে কেন মামলা করল না সেটা ঐ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করব এবং আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।"



