তামাক আসক্তি রোধে জনসচেতনতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি: রাষ্ট্রপতি
তামাক আসক্তি রোধে জনসচেতনতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শনিবার বলেছেন, তামাক আসক্তি প্রতিরোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যাপক জনসচেতনতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

'বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস' উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, তামাক চাষ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

তিনি বলেন, 'তামাক ব্যবহার ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন প্রাণঘাতী রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তোলে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাষ্ট্রপতি জানান, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষ তামাকজনিত রোগে মারা যায়, যা পরিবারের ওপর প্রচণ্ড বোঝা চাপায় এবং জাতীয় উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে।

'তামাক কোম্পানির আকর্ষণীয় প্রচারমূলক ক্যাম্পেইনের কারণে অনেক তরুণ ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়ছে,' তিনি যোগ করেন।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন ২০২৬-এর যথাযথ বাস্তবায়ন ও কঠোর প্রয়োগ নারী, শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি প্রশাসন, সুশীল সমাজ, সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও গণমাধ্যমকে তামাকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি 'বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬' উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ