ভোলার মনপুরায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও লুটপাট: বাবাকে কুপিয়ে জখম, এক আসামি গ্রেপ্তার
মনপুরায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: বাবাকে কুপিয়ে জখম, আসামি গ্রেপ্তার

ভোলার মনপুরায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক

ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুটপাটের ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর বাবাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রেপ্তার হয়েছে এক আসামি

সোমবার (১৩ এপ্রিল) এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মিরাজ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত মিরাজ একই গ্রামের বাসিন্দা মো. কামালের ছেলে। পুলিশ জানায়, গত রোববার বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই গৃহবধূ। অভিযোগের ভিত্তিতে মিরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোমবার দুপুরে গ্রেপ্তার যুবককে ভোলা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাজীর হাট ইউনিয়নের চর যতিন গ্রামের ওই গৃহবধূ ও তার বাবা ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ২টার দিকে স্থানীয় যুবক মিরাজসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঘরের দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়ে। তারা গৃহবধূকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং তার কাছে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

লুটপাটের সময় গৃহবধূর বাবা বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের তদন্ত ও পদক্ষেপ

মনপুরা থানার ওসি মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ভুক্তভোগীকে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মামলায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার মিরাজকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং পুলিশ অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছে।

এই ঘটনা মনপুরা উপজেলায় নিরাপত্তাহীনতা ও অপরাধ প্রবণতার উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে যে, দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।