ঢামেকে শিক্ষার্থী-চিকিৎসক সংঘর্ষে জরুরি বিভাগ বন্ধ, তিন ঘণ্টা পর চালু
ঢামেকে সংঘর্ষে জরুরি বিভাগ বন্ধ, তিন ঘণ্টা পর চালু

ঢামেকে শিক্ষার্থী-চিকিৎসক সংঘর্ষে জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ, তিন ঘণ্টা পর পুনরায় চালু

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জরুরি বিভাগের সেবা প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে সাময়িকভাবে সেবা বন্ধ রাখা হয়।

সংঘর্ষের পটভূমি ও ঘটনার বিবরণ

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সানিম ডাক্তার দেখিয়ে প্রাপ্ত প্রেসক্রিপশনে উল্লিখিত ওষুধটি বাইরের কয়েকটি ফার্মেসিতে না পেয়ে আবার ঢামেকে ফিরে আসেন। তিনি ওষুধটি পরিবর্তনের জন্য ডাক্তারকে অনুরোধ করেন, যা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এই বাগবিতণ্ডা একপর্যায়ে শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়, ফলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ ও পুনরায় চালু

সংঘর্ষের পরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাজনিত কারণে জরুরি বিভাগের সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হন। তবে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা পুনরায় চালু করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তদন্ত কমিটি গঠন ও আল্টিমেটাম

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে আগামী ১১ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ইনটার্ন চিকিৎসকরা সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে কমপ্লিট শাটডাউনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া

এই সংঘর্ষের ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং রোগী সেবায় বিঘ্ন ঘটে। কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও, এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে। শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং চিকিৎসাসেবার মান অক্ষুণ্ণ রাখাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।