রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোরী ও চালক নিহত
ঢাকা শহরে সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে দুইটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক কিশোরীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন পশ্চিম রামপুরার ১২ বছর বয়সী অনিকা তাহসিন এবং গাবতলীর ৪০ বছর বয়সী মো. জীবন। দুর্ঘটনায় উত্তেজিত জনতা একটি গাড়ি ভাঙচুর করেছেন বলে জানা গেছে।
পশ্চিম রামপুরায় কিশোরীর মর্মান্তিক মৃত্যু
পশ্চিম রামপুরা এলাকার হাতিরঝিল থানাধীন ডিআইটি রোডের পলাশবাগ মোড়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন অনিকা তাহসিন। এ সময় একটি প্রাইভেটকার ইউটার্ন নিতে গিয়ে তাকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত স্থানীয় জনতা গাড়িটিকে আটক করে ভাঙচুর করেন। অনিকা তাহসিন পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার প্রত্যাশি গ্রামের মো. সিদ্দিকুর রহমান ও আছিয়া বেগমের মেয়ে ছিলেন। তিনি বর্তমানে পূর্ব রামপুরার একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন।
গাবতলীতে চালকের মৃত্যু
একই রাতে গাবতলী টার্মিনাল এলাকায় দারুসসালাম থানাধীন রাস্তা পার হচ্ছিলেন পথচারী মো. জীবন। এ সময় দ্রুতগতির একটি মোটর সাইকেলের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। প্রতিবেশী সাজু তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে রাত ১২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মো. জীবন নীলফামারী সদর উপজেলার মো. আব্দুল গফুরের ছেলে ছিলেন এবং মিরপুরের কাউন্দিয়া এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি অসিম পরিবহনের বাসের চালক হিসেবে কাজ করতেন।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সংরক্ষিত
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনাগুলো সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।



