এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি: ডাটা এন্ট্রির সময়সীমা বাড়াল মাউশি
এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি: ডাটা এন্ট্রির সময় বাড়ল

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য ডাটা এন্ট্রির সময়সীমা বাড়িয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান প্রধানরা আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত অনলাইনে তথ্য ইনপুট, যাচাই ও চূড়ান্ত অনুমোদনের কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে যা বলা হয়েছে

রোববার মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) মো. সাখাওয়াত হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল-কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলির জন্য একটি সফটওয়্যারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

কারিগরি সমস্যার কারণে সময় বাড়ানো

সফটওয়্যারের কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে সার্ভার হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ ও ডেটা এন্ট্রি কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরবর্তীতে কারিগরি ত্রুটি সমাধান হওয়ায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য ইনপুট করতে পারেনি, তাদের জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নতুন সময়সূচি

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, স্কুল পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফিকেশন এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ তারিখ ২৫ জুন ২০২৬। এরপর উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা ৫ জুলাই পর্যন্ত যাচাই কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ জুলাই।

একইভাবে কলেজ পর্যায়েও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট ও অনুমোদনের শেষ তারিখ ২৫ জুন। আঞ্চলিক উপপরিচালক (কলেজ) পর্যায়ের যাচাইয়ের সময়সীমা ৫ জুলাই এবং আঞ্চলিক পরিচালকদের চূড়ান্ত অনুমোদনের সময়সীমা ১৫ জুলাই পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংশ্লিষ্টদের মতামত

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়সীমা বৃদ্ধির ফলে যেসব প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে তথ্য জমা দিতে পারেনি, তারা এখন বদলি কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। এতে শিক্ষক বদলি প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে।