সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের জন্য লটারি পদ্ধতি চালু করেছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ অধিশাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জেলা কমিটির দায়িত্ব
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নতুন শিক্ষকদের পদায়ন প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে একটি ‘জেলা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসককে সভাপতি ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে সদস্য-সচিব করে গঠিত এই কমিটি সরাসরি পদায়ন তদারক করবে। কমিটিতে আরও থাকবেন জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রশাসকের মনোনীত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তি।
লটারি পদ্ধতি কেন?
কোনো ধরনের অনিয়ম, তদবির বা অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব এড়াতে এবং পদায়নে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে লটারি পদ্ধতি অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিটি নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের লটারির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলার উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পদায়ন নিশ্চিত করবে।
মাসিক সভা ও প্রতিবেদন
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটি প্রতি মাসে ন্যূনতম একবার সভা আহ্বান করে পদায়ন ও বদলি সংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা করবে। সভার কার্যবিবরণীসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন বিভাগীয় উপপরিচালকের (প্রাথমিক শিক্ষা) কার্যালয়ে প্রেরণ করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এই নতুন নিয়ম অবিলম্বে কার্যকর হবে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের সই করা প্রজ্ঞাপনে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।



