বিইউএফটিতে টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠার জন্য ডিপিডিটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউএফটি) একটি টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার (টিস্ক) প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্পনকশা ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরের (ডিপিডিটি) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বিইউএফটি কার্যালয়ে গত বৃহস্পতিবার আয়োজিত হয়, যা গবেষণা ও উদ্ভাবন ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিইউএফটির পক্ষ থেকে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান, উপাচার্য (মনোনীত) আইয়ুব নবী খান, এবং সহ–উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হোসাইন অংশগ্রহণ করেন। ডিপিডিটির পক্ষ থেকে মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, পরিচালক (পেটেন্ট ও শিল্পনকশা) অশোক কুমার রায়, এবং উপপরিচালক (পেটেন্ট) হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এই সমন্বিত উদ্যোগটি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতার একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ও সুবিধাসমূহ
এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে পেটেন্ট ডেটাবেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য, এবং সহায়ক সেবায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হবে, যা গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করবে। মেধাস্বত্বের সুরক্ষা, বাণিজ্যিকীকরণ, এবং হস্তান্তর প্রক্রিয়া উৎসাহিত করার পাশাপাশি, এটি একাডেমিক ও শিল্প খাতে উদ্ভাবনী ধারণার প্রসার ঘটাবে। চুক্তি অনুযায়ী, ডিপিডিটি জাতীয় ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে টিস্ক নেটওয়ার্কের সমন্বয় করবে এবং প্রশিক্ষণসহ বৈশ্বিক পেটেন্ট তথ্যভান্ডারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে।
বিইউএফটির ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
অন্যদিকে, বিইউএফটি প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, জনবল, এবং পরিচালনব্যবস্থা নিশ্চিত করবে, পাশাপাশি একাডেমিক ও শিল্প খাতে টিস্ক সেবার প্রসার ঘটাবে। এই তিন বছর মেয়াদি চুক্তিটি পারস্পরিক সম্মতিতে নবায়নযোগ্য, যা দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার সম্ভাবনা তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের ফ্যাশন ও প্রযুক্তি খাতে উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, এবং এটি স্থানীয় শিল্পের উন্নয়নে একটি মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে।
সামগ্রিকভাবে, এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে সহায়ক হবে, এবং এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।



