ইউআইইউর বিএসসিএসই প্রোগ্রাম ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড অ্যাক্রিডিটেশন লাভ করেছে
ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএসসিএসই) প্রোগ্রামটি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন করেছে। এই অ্যাক্রিডিটেশনটি ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইইবি) বোর্ড অব অ্যাক্রেডিটেশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশনের (বিএইটিই) মাধ্যমে ছয় বছরের জন্য প্রদান করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি ৩ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে ২ ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানকে আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত করবে।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে সমকক্ষতা অর্জন
এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ইউআইইউর বিএসসিএসই প্রোগ্রামকে শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলোর সমকক্ষ করে তুলবে। একই সঙ্গে এই বিভাগের গ্র্যাজুয়েটরা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্র্যাজুয়েটদের সমতুল্য মানদণ্ডে গণ্য হবে। এর মাধ্যমে ইউআইইউ বিএসসিএসইর গ্র্যাজুয়েট বা নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বব্যাপী গতিশীলতা, কর্মজীবনের সম্ভাবনা এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া এটি তাদের আন্তর্জাতিকভাবে দক্ষ প্রকৌশল পেশাজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করবে।
ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডের গুরুত্ব ও প্রভাব
ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণের মাধ্যমে নিশ্চিত করে যে ইউআইইউর পাঠ্যক্রম, শিক্ষক এবং সুযোগ-সুবিধাগুলো বিশ্বমানের প্রযুক্তিগত চাহিদার সঙ্গে প্রয়োজনীয় দক্ষতা, জ্ঞান এবং যোগ্যতায় সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। এই অর্জন ইউআইইউর কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করেছে, যা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। এ ছাড়া এই স্বীকৃতি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), বিশেষ করে মানসম্মত শিক্ষাবিষয়ক লক্ষ্য অর্জনেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই অ্যাক্রিডিটেশন প্রাপ্তি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দেশের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিযোগিতার সুযোগ তৈরি করবে। ইউআইইউর এই সাফল্য অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণে উৎসাহিত করতে পারে, যা সামগ্রিকভাবে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।



