ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে ‘বন্ধুসভা মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে ‘বন্ধুসভা মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি বন্ধুসভার উদ্যোগে ‘বন্ধুসভা মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড ২০২৬’ গত ৩০ মার্চ ইউনিভার্সিটির আশুলিয়া ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘মুক্তিযুদ্ধের আলোয় জাগ্রত তারুণ্য’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মূল্যবোধ নিয়ে তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য রাখা হয়।

মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য তুলে ধরলেন মামুনুর রশীদ

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ও বন্ধুসভার উপদেষ্টা মামুনুর রশীদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘যে জাতি তার প্রকৃত ইতিহাস জানে না, তারা সামনে এগোতে পারে না।’ তিনি মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরে তরুণ প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাসচর্চা করার জন্য আহ্বান জানান।

মামুনুর রশীদ আরও উল্লেখ করেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ আমাদের একতা ও সংহতির শিক্ষা দিয়েছে। এই একতার শক্তি কাজে লাগিয়ে আমরা একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।’ তার মতে, তরুণদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে এগিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভার মাধ্যমে সম্পন্ন অলিম্পিয়াড

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ৩০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন নিয়ে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতা। ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতাটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে তাদের জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইন বিভাগের শিক্ষক ওমর ফারুক তামিম, বন্ধুসভার সভাপতি খন্দকার ওয়াশিমূল কবির, সহসভাপতি তানভীর ফাহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত সরকার এবং অর্থ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ। তারা অনুষ্ঠানের সফল আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তরুণ প্রজন্মের জন্য ইতিহাস চর্চার গুরুত্ব

এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি বন্ধুসভা তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত করার চেষ্টা করেছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা ও চর্চা করা তরুণ প্রজন্মের জন্য কেবল অতীত স্মরণ নয়, বরং ভবিষ্যৎ গঠনের একটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও আয়োজকদের মধ্যে সার্বিক আলোচনা ও মতবিনিময় হয়, যা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ এই ধরনের কার্যক্রমকে শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে সহায়ক হিসেবে দেখছে এবং ভবিষ্যতেও অনুরূপ আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।