বৈশাখী ভাতার অনলাইন প্রক্রিয়া শুরু, শিক্ষকদের জন্য স্বস্তির খবর
পহেলা বৈশাখের উৎসবকে সামনে রেখে সারা দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এপ্রিল ২০২৬ সালের বৈশাখী ভাতার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, যার মাধ্যমে উৎসবের আগেই ভাতার টাকা পাওয়া নিশ্চিত হবে।
অনলাইনে বিল জমা দেওয়ার সুযোগ চালু
শুক্রবার (২৭ মার্চ) মাউশির ইএমআইএস সেল সূত্রে জানা গেছে, বৈশাখী ভাতার জন্য ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) বিল সাবমিট করার অপশনটি সফটওয়্যারে সক্রিয় করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে কয়েক লাখ শিক্ষক-কর্মচারী অনলাইনে সহজেই বিল জমা দিতে পারবেন, যা তাদের জন্য অনিশ্চয়তা দূর করবে।
ইএমআইএস সেলের প্রোগ্রামার মো. জহির উদ্দিন বলেন, "এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিল জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো কারিগরি জটিলতা ছাড়াই যাতে নির্ধারিত সময়ে সবাই অর্থ হাতে পান, সেটি নিশ্চিত করতেই আগেভাগে প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।"
মার্চ মাসের বেতনের প্রস্তাব এখনো মন্ত্রণালয়ে পৌঁছায়নি
এদিকে, বৈশাখী ভাতার প্রক্রিয়া এগিয়ে চললেও মার্চ মাসের নিয়মিত বেতনের প্রস্তাব এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছায়নি। গত বুধবার থেকে মার্চ মাসের বেতন বিল জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে, যা আগামীকাল শনিবার পর্যন্ত চলবে।
সব বিল যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদনের জন্য আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি বা শেষ নাগাদ তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে শিক্ষকরা তাদের নিয়মিত বেতনও সময়মতো পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মাউশির এই উদ্যোগ শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে, কারণ এটি উৎসবের আগেই আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করবে। বৈশাখী ভাতা বিতরণের এই প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হলে শিক্ষকরা পহেলা বৈশাখের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।



