জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৪টি আসন শূন্য, ৩০ মার্চ সশরীর আবেদনের আহ্বান
জাবিতে ৭০৪ আসন শূন্য, ৩০ মার্চ আবেদনের আহ্বান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়ায় ৭০৪টি আসন শূন্য

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির দ্বিতীয় ধাপের ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তবে, এই প্রক্রিয়া শেষে এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৭০৪টি আসন শূন্য রয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব শূন্য আসন পূরণের জন্য অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ৩০ মার্চ সশরীর উপস্থিত হয়ে আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে।

আবেদনের সময়সীমা ও শর্তাবলি

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) ও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সচিব সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘আগামী ৩০ মার্চ সোমবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিট অফিসে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত ফরমে আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।’ তবে, যারা ইতোপূর্বে মেধাতালিকা থেকে ভর্তির সুযোগ পেয়েও ভর্তি হননি, তাদের নতুন করে আবেদন করার কোনো সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপস্থিত হয়ে আবেদন না করলে পরবর্তী ধাপে আর বিবেচনা করা হবে না। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ভর্তি বাতিলসহ অন্যান্য কারণে শূন্য আসনের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।

বিভিন্ন ইউনিটে শূন্য আসনের বিস্তারিত

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইউনিটে শূন্য আসনের সংখ্যা নিম্নরূপ:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • এ ইউনিট (গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ): ২৭৩টি আসন শূন্য
  • বি ইউনিট (সমাজবিজ্ঞান অনুষদ): ৯৩টি আসন শূন্য
  • সি ইউনিট (কলা ও মানবিক অনুষদ): ১৭৩টি আসন শূন্য
  • ডি ইউনিট (জীববিজ্ঞান অনুষদ): ৭৪টি আসন শূন্য
  • ই ইউনিট (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ): ৭৭টি আসন শূন্য

এছাড়া, আইবিএ-জেইউ-তে ১১টি এবং নাটক ও চারুকলা বিভাগে ১টি আসন ফাঁকা রয়েছে। সব মিলিয়ে, ছাত্রদের জন্য ৩৯৮টি এবং ছাত্রীদের জন্য ৩০৬টি আসন খালি রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরবর্তী পদক্ষেপ ও তথ্য প্রাপ্তি

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবেদন জমা নেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম ও বিভাগীয় পছন্দক্রম অনুযায়ী খুব দ্রুতই পরবর্তী মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। ভর্তি–সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই পদক্ষেপ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।