ইবি শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি, উপাচার্যের আশ্বাস
ইবি শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি

ইবি শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি, উপাচার্যের আশ্বাস

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর দেড়টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বরাবর সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থীরা এই স্মারকলিপি দেন।

শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি

শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবিগুলো নিম্নরূপ:

  1. আগামী ১৫ দিনের মধ্যে শিক্ষিকার হত্যাকারী এবং হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে জড়িত সকল ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।
  2. তার পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ৩০ দিনের মধ্যে ৪ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করার পাশাপাশি ম্যামের পরিবারের সদস্যদের ম্যামের বেসিক বেতনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্য সকল সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা।
  3. শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় যত দ্রুত সম্ভব বিভাগের সকল অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করা।
  4. বিভাগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সকল আর্থিক লেনদেন ও কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে তার প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করা।
  5. তার অবদান ও স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নাম ওই শিক্ষিকার নামে নামকরণ করা।

উপাচার্যের প্রতিক্রিয়া

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ শিক্ষার্থীদের দাবি অতিদ্রুত বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে আশ্বাস দেন। তিনি এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এই হত্যাকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে। ঘটনাটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।