অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন
অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ন্যানোম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজের সই করা একটি প্রজ্ঞাপন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও মেয়াদ

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিবকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগের মেয়াদ হবে তার যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর পর্যন্ত।

নিয়োগের শর্তাবলি হিসেবে বলা হয়েছে, তিনি উপাচার্য পদে যোগদানের আগে তার মূল পদের সমপরিমাণ বেতন ভাতা পাবেন। এছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধাও ভোগ করবেন।

দায়িত্ব ও কর্তব্য

অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। তার দায়িত্বের মধ্যে পড়বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যে কোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন। এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া যা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রযোজ্য।

অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিবের পেশাগত পটভূমি

অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ন্যানোম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন। তার গবেষণা ও শিক্ষকতা অভিজ্ঞতা উচ্চশিক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

এই নিয়োগটি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কেননা এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নিয়োগ। এটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালীকরণের দিকে একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।