বগুড়ায় ভুল সেট কোডে এসএসসি পরীক্ষা, পাশের কেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর
বগুড়ায় ভুল সেট কোডে এসএসসি পরীক্ষা, হামলা-ভাঙচুর

বগুড়ার সোনাতলায় রোববার এসএসসি পরীক্ষায় সোনাতলা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভুল সেট কোডে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভুল সেট কোডে পরীক্ষা হওয়ায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অজ্ঞাত কারণে পার্শ্ববর্তী সোনাতলা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

ভুল সেট কোডে পরীক্ষা

জানা গেছে, রোববার এসএসসি পরীক্ষার তৃতীয় দিনে ইংরেজি ১ম পত্র/১০৭ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই কেন্দ্রে সেট কোড-১ এর পরিবর্তে সেট কোড-৩ দিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। কেন্দ্রে মোট ৭০৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিল ৬৯৮ জন। পরীক্ষা শেষে দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা পার্শ্ববর্তী কেন্দ্রে হামলা চালায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তাৎক্ষণিকভাবে হামলার কারণ জানা না গেলেও অনেকে প্রশ্নের উত্তর লেনদেনকে কেন্দ্র করে এ হামলা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা

ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে সোনাতলা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব মো. শাহাদুত জ্জামান সাজুকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ ছাড়াও ওই কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য

সোনাতলা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইনচার্জ আব্দুল হাই মাস্টার বলেন, পার্শ্ববর্তী কেন্দ্রে ভুল সেট কোডে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও এর প্রভাব তাঁর স্কুলে পড়ে। শিক্ষার্থীরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। তবে তিনি হামলার কারণ নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।

ট্যাগ অফিসার আব্দুল লতিফ ফোন না ধরায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর তিনি আত্মগোপন করেন। শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, মূলত তাঁর ভুলেই এ ঘটনা ঘটেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অধ্যক্ষ মো. শাহাদুত জ্জামান সাজু বলেন, ভুলবশত ১ নং সেটের পরিবর্তে ৩ নং সেটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি অব্যাহতির কথা স্বীকার করেন।

সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বীকৃতি প্রামাণিক বলেন, ঘটনার পর তাৎক্ষণিক কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আরিফুল ইসলাম বলেন, ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ওই কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি এবং ট্যাগ অফিসারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।