ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য হলো আয়ারল্যান্ড। দেশটির শিক্ষাব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত এবং ইউরোপের অনেক দেশের তুলনায় পড়াশোনার খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দের তালিকায় থাকে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ
আয়ারল্যান্ড সরকার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নানা সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে থাকে। দেশটির প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন কোর্সে পড়ার সুযোগ রেখেছে। ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে সাধারণত আইইএলটিএস বা টোয়েফল পরীক্ষার সনদ চাওয়া হয়। তবে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আইইএলটিএস ছাড়াই শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দেয়।
আইইএলটিএস ছাড়া ভর্তির সুযোগ দেয় এমন বিশ্ববিদ্যালয়
- ইউনিভার্সিটি কলেজ ডাবলিন
- রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস ইন আয়ারল্যান্ড
- ইউনিভার্সিটি অব লিমেরিক
- ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব আয়ারল্যান্ড, গালওয়ে
- মায়নুথ ইউনিভার্সিটি
- ডাবলিন সিটি ইউনিভার্সিটি
জনপ্রিয় স্কলারশিপ
- গভর্নমেন্ট অব আয়ারল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন স্কলারশিপ
- আরসিএসআই ইন্টারন্যাশনাল ফার্মেসি স্কলারশিপ
- এনইউআই গালওয়ে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট স্কলারশিপ
- ইউনিভার্সিটি কলেজ ডাবলিন গ্লোবাল এক্সিলেন্স স্কলারশিপ
- জেনারেশন স্টাডি অ্যাব্রড স্কলারশিপ
- গ্র্যাটান স্কলারশিপ
- ডাবলিন সিটি ইউনিভার্সিটি স্কলারশিপ
- হার্ডিমান পিএইচডি স্কলারশিপ
- মায়নুথ ইউনিভার্সিটি স্কলারশিপ
- ইউনিভার্সিটি অব লিমেরিক স্কলারশিপ
আইইএলটিএসের বিকল্প পদ্ধতি
যেসব শিক্ষার্থী ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন, তারা Medium of Instruction (MOI) বা ইংরেজি ভাষার সনদ ব্যবহার করে আবেদন করতে পারেন। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এ সনদ গ্রহণ করে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ইংরেজি দক্ষতা মূল্যায়নের জন্য স্কাইপি বা ভিডিও কলে সাক্ষাৎকার নেয়; সাক্ষাৎকারে সন্তোষজনক পারফরম্যান্স করলে আইইএলটিএসের ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়া যায়। এছাড়া Duolingo English Test, PTE বা TOEFL-এর মতো বিকল্প পরীক্ষাও গ্রহণ করা হয়। শিক্ষার্থীরা যদি কোনো ইংরেজিভাষী দেশের নাগরিক হন বা সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে থাকেন, তাহলে অনেক ক্ষেত্রে আইইএলটিএসের প্রয়োজন হয় না।



