পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগে জামায়াতের তীব্র প্রতিবাদ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগে জামায়াতের প্রতিবাদ

দেশের ১১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ‘দলীয় বিবেচনায়’ আখ্যা দিয়ে গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে

শুক্রবার (১৫ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে এ ধরনের নিয়োগ দেশের উচ্চশিক্ষার নিরপেক্ষতা ও মানের জন্য হুমকিস্বরূপ। তিনি অভিযোগ করেন, যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দিয়ে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা দেশের শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবের মধ্যে নিয়ে যেতে পারে।

শিক্ষার পরিবেশে বিভাজনের আশঙ্কা

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্তবুদ্ধি, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র। সেখানে রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রশাসনিক নিয়োগ শিক্ষার পরিবেশে বিভাজন তৈরি করতে পারে এবং একাডেমিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত করতে পারে। এর আগে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিভিন্ন পদে দলীয় প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধারাবাহিকভাবে দলীয়করণের প্রবণতা বাড়ছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার অভাব

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও একাডেমিক যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু বর্তমান সিদ্ধান্তে সেই নীতি অনুসরণ করা হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের সিদ্ধান্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে, যা অতীতেও সেশনজট, অস্থিরতা ও সহিংসতার মতো সমস্যার জন্ম দিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারের প্রতি আহ্বান

বিবৃতির শেষে তিনি সরকারকে এসব নিয়োগ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান এবং যোগ্য, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি করেন। জামায়াতের এই প্রতিবাদ দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।