শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ: ৮২ কর্মচারীর পদোন্নতি পুনর্বিবেচনা ও ফাইল তলব
শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ: ৮২ কর্মচারীর পদোন্নতি পুনর্বিবেচনা

শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ: ৮২ কর্মচারীর পদোন্নতি পুনর্বিবেচনা ও ফাইল তলব

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে ৮২ জন কর্মচারীর সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ফাইল তলব করেছেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রীর বক্তব্য

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, পদোন্নতির এই সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের জন্য ফাইল তলব করা হয়েছে।

পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন ও শর্তাবলি

এর আগে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর ৮২ জন কর্মচারীকে জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডে ‘সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার’ পদে পদোন্নতি দিয়ে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় পদায়ন করা হয়।

উপসচিব মুন্না রানি বিশ্বাস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) সচিবালয়ের ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের সুপারিশের ভিত্তিতে ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা-২০২১’ অনুযায়ী এই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

পদোন্নতিপ্রাপ্তরা এখন জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ১০ম গ্রেডে (১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা) বেতন-ভাতা পাবেন।

কর্মচারীদের পেশাগত পটভূমি

পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মাউশি অধিদপ্তর ও এর আঞ্চলিক কার্যালয়ের সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক, বিভিন্ন সরকারি কলেজ ও বিদ্যালয়ের হিসাবরক্ষক, প্রধান সহকারী ও উচ্চমান সহকারীরা।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, পদোন্নতি পাওয়া প্রত্যেকেরই স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পাশাপাশি দ্বিতীয় শ্রেণির বিএড ডিগ্রি রয়েছে। দাপ্তরিক অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সমন্বয়ে তাদের শিক্ষা প্রশাসনের মাঠপর্যায়ে তদারকি ও ব্যবস্থাপনায় যুক্ত করা হয়েছে।

পুনর্বিবেচনার প্রক্রিয়া ও প্রভাব

শিক্ষামন্ত্রীর এই নির্দেশের ফলে পদোন্নতির সিদ্ধান্তটি একটি পুনর্বিবেচনামূলক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবে। এটি শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই পদক্ষেপটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় আরও সতর্কতা ও নীতিনির্ধারণী দিকনির্দেশনা প্রদান করতে পারে।