বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান নিয়োগের আবেদনের সময়সীমা সাতদিন বাড়ল
প্রধান নিয়োগের আবেদনের সময়সীমা সাতদিন বাড়ল

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান নিয়োগের আবেদনের সময়সীমা সাতদিন বাড়ানো হয়েছে

বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার পদে নিয়োগের আবেদনের সময়সীমা সাতদিন বাড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) আবেদনের সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) নতুন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সময় বাড়িয়েছে।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের ঘোষণা

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে জানান, 'আবেদনের সময় সাতদিন বাড়ানো হচ্ছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (শুক্রবার থেকে বৃহস্পতিবার) আবেদনের সময় বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিষয়টি আমাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে নোটিশ জারি করা হবে।'

শূন্যপদের বিস্তারিত তথ্য

এনটিআরসিএর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্যপদের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে মাঠপর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে শূন্যপদের সংখ্যা কমবেশি হতে পারে।

শূন্যপদের বিভাগীয় বণ্টন নিম্নরূপ:

  • মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর: ১০ হাজার ২৭৮টি শূন্যপদ, যার মধ্যে স্নাতক পাস কলেজে অধ্যক্ষ ৫৮৪টি, উপাধ্যক্ষ ৬২৭টি, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে অধ্যক্ষ ৫১১টি, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যক্ষ ২৫৭টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৯২৩টি, সহকারী প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৮৭২টি, এবং নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ৫০৪টি।
  • কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর: ১৯০টি শূন্যপদ, যার মধ্যে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যক্ষ ১১০টি, ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানে সুপারিনটেনডেন্ট ৪০টি, এবং সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট ৪০টি।
  • মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর: ৩ হাজার ১৩১টি শূন্যপদ, যার মধ্যে কামিল পর্যায়ে অধ্যক্ষ ৩৪টি ও উপাধ্যক্ষ ৫৩টি, ফাজিল পর্যায়ে অধ্যক্ষ ২০২টি ও উপাধ্যক্ষ ৩৪৩টি, আলিম পর্যায়ে অধ্যক্ষ ২১৯টি ও উপাধ্যক্ষ ৩৭৭টি, এবং দাখিল পর্যায়ে সুপারিনটেনডেন্ট ৮৯৯টি ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট ১ হাজার ৪টি।

এই সময়সীমা বৃদ্ধি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃত্ব শূন্যতা পূরণে সহায়ক হবে।