স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে ১৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ, ১০ ভর্তি হাসপাতালে
স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে ১৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সালিম ডোলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ১০ শিক্ষার্থীকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল থেকে রাত আটটার মধ্যে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুরুল হোদা ও জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মাহবুব হাসান।

ঘটনার বিবরণ

প্রধান শিক্ষক দুরুল হোদা বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় দুপুরে শিক্ষার্থীদের ডিম ও পাউরুটি দেওয়া হয়। খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পর ১৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ বোধ করতে শুরু করে। প্রথমে স্থানীয়ভাবে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে ১০ শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদের জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তদন্ত ও নমুনা সংগ্রহ

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়টিতে খাবার সরবরাহ করেছিল বেসরকারি সংস্থা গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)। সরবরাহ করা খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। তিনি জানান, এর আগেও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে জেলা প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। সেই কমিটি ইতিমধ্যে প্রতিবেদনও জমা দিয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গাকের বক্তব্য

গ্রাম উন্নয়ন কর্মের (গাক) মাঠ কর্মকর্তা আতিক হাসান দাবি করেন, অতিরিক্ত গরমের কারণেই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়েছে। তিনি বলেন, খাবারের কারণে এমনটি হয়নি। সদর উপজেলার ২১৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁদের সংস্থা খাবার সরবরাহ করে থাকে। অন্য কোথাও এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হাসপাতালের তথ্য

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মাহবুব হাসান বলেন, হাসপাতালে ভর্তি ১০ শিক্ষার্থীর অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিম্নমানের বা অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং অতিরিক্ত গরম—উভয় কারণেই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে থাকতে পারে।