মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী: শিশুদের সঠিক বিকাশই গড়ে তুলবে যোগ্য প্রজন্ম
মন্ত্রী: শিশুদের বিকাশে স্কুল ব্যাগ বিতরণ উদ্যোগ প্রশংসনীয়

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী: শিশুদের সঠিক বিকাশই গড়ে তুলবে যোগ্য প্রজন্ম

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, আজকের শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের মেধার সঠিক বিকাশের মাধ্যমে একটি যোগ্য ও আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি শনিবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নেউড় এমআই উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মেধাবী প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ব্যাগ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

হাজী মোঃ জহিরুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠান

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে হাজী মোঃ জহিরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এই ব্যাগ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, “আল্লাহ প্রথমে জ্ঞান দান করেন, তারপর সম্পদ। জহিরুল ইসলামের এই উদ্যোগ তার উদার মানসিকতার প্রতিফলন।” পিআইডি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তিনি আরও যোগ করেন, “আজকের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি মহৎ কাজ, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”

শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা

মন্ত্রী বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে শিক্ষার প্রকৃতি এবং শিক্ষার্থীদের চাহিদাও বদলেছে। বর্তমান যুগে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “একটি স্কুল ব্যাগ ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু এটি একজন শিক্ষার্থীর জন্য বিরাট সহায়ক হয়ে উঠতে পারে। এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অনুপ্রাণিত করে এবং সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে,” তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি সমাজের বিত্তবান সদস্যদের দেশের কল্যাণে সততা ও দায়িত্বশীলতার সাথে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। “আজ যে শিক্ষার্থীরা সহায়তা পাচ্ছে, তারা ভবিষ্যতে জাতির সম্পদ হয়ে উঠবে এবং সমাজে অবদান রাখবে,” মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কৃষি ও অর্থনীতির সংযোগ এবং মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি

নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও খাদ্য খাত দেশের অর্থনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কৃষকদের অবস্থার উন্নতি ঘটলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব।

তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রাপ্ত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালনের প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাজী মোঃ জহিরুল ইসলাম। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এতে উপস্থিত ছিলেন।