এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর গুজব নাকচ, শিক্ষামন্ত্রী বললেন নির্ধারিত সময়েই হবে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত বা পেছানো হতে পারে—এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সরকার এসব তথ্যকে গুজব ও বিভ্রান্তিকর বলে স্পষ্টভাবে নাকচ করেছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন, যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য: গুজবের বিরুদ্ধে সতর্কতা
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ফেসবুকে পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে অনেক খবর ছড়াচ্ছে, যা ভিত্তিহীন। জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এই সভায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, কেউ কেউ ভয়ে এমন গুজব ছড়াচ্ছে, তবে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
শিক্ষামন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, এই রুটিন আগের সরকার নির্ধারণ করেছে এবং প্রশ্নপত্রও ইতোমধ্যে মুদ্রণ সম্পন্ন হয়েছে। এটি পরীক্ষার প্রস্তুতি ও সময়সূচির প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ
এদিকে সোমবার (৬ এপ্রিল) ময়মনসিংহে অপর এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারা দেশে সম্পূর্ণ নকলমুক্ত, স্বচ্ছ এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশে আয়োজন করা হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি বরদাশত করা হবে না।
এই পদক্ষেপগুলি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে পরীক্ষার প্রস্তুতি ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ পেয়েছে।
শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য একটি স্পষ্ট নির্দেশনা। গুজব এড়িয়ে নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারের এই অবস্থান শিক্ষা বিভাগের কার্যক্রমের প্রতি আস্থা জাগায় এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনাকে সুদৃঢ় করে।
এসএসসি পরীক্ষা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, এবং এর সফল আয়োজন জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে এই লক্ষ্য অর্জনের দৃঢ় সংকল্প ফুটে উঠেছে।



