৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে ভিসি নিয়োগ, ঢাবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম
৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ, ঢাবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম

৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ দিল সরকার

সরকার দেশের নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই নিয়োগগুলো উচ্চশিক্ষা খাতে নতুন দিকনির্দেশনা ও উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম। তার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগের তালিকা

এছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভিসি নিয়োগের বিস্তারিত তালিকা নিম্নরূপ:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: ফরিদুল ইসলাম
  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: ড. রইস উদ্দিন
  • সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি: অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম
  • উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়: অধ্যাপক মো. সিদ্দিকুর রহমান খান
  • খুলনা প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ড. মো. মাসুদ
  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: অধ্যাপক ড. মাহমুদ আল ফরকান

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ

এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুন আহমেদকে। এই নিয়োগ উচ্চশিক্ষা প্রশাসনে তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, "এই নিয়োগগুলো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার উচ্চশিক্ষা খাতের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এই নিয়োগগুলো সেই লক্ষ্য পূরণের দিকে একটি বড় পদক্ষেপ।

এই নিয়োগের মাধ্যমে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃত্বে নতুন প্রাণসঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে এই পরিবর্তন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।