অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার সহমর্মিতার ঈদ: সুবিধাবঞ্চিতদের মুখে হাসি ফোটালো
অতীশ দীপঙ্কর বন্ধুসভার সহমর্মিতার ঈদ: সুবিধাবঞ্চিতদের সহায়তা

অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার সহমর্মিতার ঈদ: সুবিধাবঞ্চিতদের মুখে হাসি ফোটালো

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি, আর এই খুশির পূর্ণতা আসে যখন আমরা একে অপরের প্রতি সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিই। প্রতিবছরের মতো এবারও অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা 'সহমর্মিতার ঈদ' কর্মসূচি আয়োজন করেছে, যার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও তাদের পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো হয়েছে।

কর্মসূচির বিস্তারিত

১৪ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ্র চত্বর ও সংলগ্ন এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে ১৬ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে নতুন জামা এবং ১৫টি স্বল্প আয়ের পরিবারকে ঈদের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী উপহার দেওয়া হয়। বন্ধুসভা জাতীয় পর্ষদের আহ্বানে এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হয়েছে, যা সামাজিক সম্প্রীতি ও বৈষম্য নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বন্ধুসভার উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান নূর নবী রাজ। তিনি বলেন, 'সহমর্মিতার ঈদ' উদ্‌যাপনের মাধ্যমে বন্ধুসভা মানুষের মধ্যে ভালোবাসার বার্তা ছড়ায়। এটি সমাজে বৈষম্য কমাতে সাহায্য করে এবং আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে ঈদের আনন্দ সবার জন্য সমানভাবে উপভোগ্য হওয়া উচিত।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন:

  • এডাস্ট বন্ধুসভার সভাপতি সাইফুল ইসলাম
  • সাংগঠনিক সম্পাদক ফারাবী আনাছ
  • অর্থ সম্পাদক তানিয়া রশিদ
  • পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক মো. ইমনসহ অন্যান্য সদস্যরা

বন্ধুসভার প্রত্যাশা

বন্ধুসভার সদস্যদের প্রত্যাশা হলো, ঈদের এই খুশির ছোঁয়া যেন প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি প্রাণে ছড়িয়ে পড়ে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে ভবিষ্যতেও এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে, যা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে।

এই কর্মসূচি শুধুমাত্র উপহার বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার এই প্রচেষ্টা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেবার মনোভাব জাগ্রত করতে ভূমিকা রাখছে।