ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা ছুরিকাঘাতে নিহত, কর্মচারী গুরুতর আহত
ইবিতে শিক্ষক নিহত, কর্মচারী আহত: ছুরিকাঘাতের ঘটনা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক নিহত ও কর্মচারী আহত: ছুরিকাঘাতের মর্মান্তিক ঘটনা

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক ভয়াবহ ছুরিকাঘাতের ঘটনায় সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হয়েছেন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনার সময় ও স্থান

বুধবার বিকেল চারটার দিকে ক্যাম্পাসের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ঈমাম নিশ্চিত করেছেন যে, আহত শিক্ষক ও কর্মচারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চিকিৎসা ও মৃত্যুর বিবরণ

আরএমও হোসেন ঈমাম বলেন, "হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনার সময় আসমা সাদিয়া রুনা বেঁচে ছিলেন। তবে ওয়ার্ডে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করা মাত্রই তিনি মারা যান। তাঁর মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করা ছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "আরেকজন পুরুষ ফজলুর রহমানকে আনা হয়েছে। তাঁর অবস্থায়ও গুরুতর। তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।"

পুলিশের প্রতিক্রিয়া

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন ঘটনাটিকে খুবই দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, "শিক্ষক মারা গেছেন। আমরা ঘটনার তদন্তে নিযুক্ত আছি এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।"

ঘটনার প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া

এই মর্মান্তিক ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া ফেলেছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ঘটনার কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করেছে।

  • নিহত শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
  • আহত কর্মচারী ফজলুর রহমান রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে কর্মরত ছিলেন।
  • ঘটনাস্থল থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রধান ভবন হিসেবে পরিচিত।

এই ঘটনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।